শিরোনাম
◈ ভারতের সতর্কতা, আগামী ২৪-৭২ ঘণ্টায় বন্যার ঝুঁকি তিন বিভাগে ◈ মেসি ম্যাজিকে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ◈ কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ভাষণে যা বললেন ◈ কোটি টাকার করের ফাঁদে আবাসন খাতের গ্রাহক! ◈ ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম: মাজারের ডেগ খুলে প্রকাশ্যে টাকা গণনা, দানবাক্স খুলে মিলল ১৭ লাখ টাকার বেশি ◈ আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ! ◈ ব্যাংক অনিয়মে কঠোর শাস্তির বার্তা গভর্নরের ◈ চাকরির প্রলোভনে ঠেলা হচ্ছে বিদেশের অজানা বন্দিদশায় ◈ ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল, বর্ধিত বেতন কবে হাতে পাবেন চাকরিজীবীরা ◈ জাহাজ পুনর্ব্যবহার শিল্পে বিশ্বমঞ্চে শীর্ষে বাংলাদেশ, বছরে আয় ২.১ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ১১:০৪ দুপুর
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০১৯, ১১:০৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মস্তিষ্কের উপর চাপ সৃষ্টি করছে মাল্টিটাস্কিং

মঈন মোশাররফ : অতীতে মানুষের মস্তিষ্ক খেলাচ্ছলে বেশিরভাগ উদ্দীপনায় সাড়া দিতে পারতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের সামনে চ্যালেঞ্জ বেড়ে চলেছে কিছুদিন। আগে শুধু ইলেকট্রনিক সংবাদ মাধ্যমের দৌলতে আমরা ঘনঘন তথ্য পেতাম। আর আজ? আজকের ডিজিটাল জগতে সবকিছু ও সবাই এক নেটওয়ার্কের অংশ হয়ে পড়ছে বলে মনে হয়। ফলে আমাদের মস্তিষ্ককে অবিরাম উদ্দীপনার ঢেউ সামলাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি কিন্তু মোটেই আদর্শ নয়। ডয়চে ভেলে

এ প্রসঙ্গে স্নায়ুবিজ্ঞানী ইয়ানা ফান্ডাকোভা সোমবার বলেন, স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে একটি উদ্দীপক আমাদের কাছে আসে। ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে এক প্রক্রিয়া চলে। তারপর পরবর্তী উদ্দীপকের প্রতি মনোযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ সেই সুযোগ পান না। তাদের অবিরাম তথ্যের বন্যার মুখে পড়তে হয় এবং অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কাজ সারতে হয়।

এ বিষয়ে তিনি স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন । তাদের সামনে কিছু কঠিন দায়িত্ব ছিলো। পরীক্ষার সময় তাদের এই সব দানবের মধ্যে ৯টি পার্থক্য শনাক্ত করতে হয়েছিলো। একই সময় বিভিন্ন বোতাম টিপে সঠিক বৈশিষ্ট্য বেছে নিতে হয়েছিলো। কঠিন এই কাজের সময় গভীর মনোযোগের প্রয়োজন।

এর মাধ্যমে ইয়ানা এমন এক পরিস্থিতির নকল করেছেন, যা আমাদের দৈনন্দিন ব্যস্ততায় ভরা জীবনযাত্রায় দেখা যায়। আমাদের পর পর ও দ্রুত বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হয়।

ইয়ানা বলেন, মস্তিষ্কের এই অংশ ঠিক কপালের পেছনে রয়েছে। কোন কাজের জন্য কতটা ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে, এই অংশই তা স্থির করে দেয়। যে সব পরিস্থিতিতে আমাদের একই সময়ে একাধিক কাজ করতে হয়, তখন নির্বিঘ্নে কাজগুলি সম্পন্ন করতে মস্তিষ্কের এই অংশকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।

ইয়ানা ফান্ডাকোভা মনে করেন, আমাদের ও অন্যান্য বিভিন্ন গবেষণার ফল বলছে, যে এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের সাড়া দিতে একটু বেশি সময় লাগে। তারা বড়দের তুলনায় সত্যি ঘনঘন ভুল করে।

দ্রুত ও পর পর কাজ বদল করলে ফ্রন্টাল লোব বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে । প্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাম দিক ও শিশুদের ক্ষেত্রে ডান দিক সেই কাজ করে ।২০ বছর বয়স পর্যন্ত ফন্টাল লোব-এর বিকাশ চালু থাকায় শিশুরা বড়দের মতো এত দ্রুত বিভিন্ন ধরনের কাজ সামলাতে পারে না । বেড়ে চলা চাপ মস্তিষ্কের বিকাশের উপর ঠিক কতটা প্রভাব ফেলছে, তা জানতে কমপক্ষে ১০ বছর সময় লাগবে । স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের সঙ্গে বেড়ে ওঠা প্রজন্ম প্রাপ্তবয়স্ক হলে সেই রহস্যের সমাধান হতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়