প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বালাকোট হামলায় ইসরায়েলের তৈরি ¯পাইস২০০০স্মার্টবম্ব ব্যবহার করেছে ভারত

নূর মাজিদ : প্রতিবেশী পাকিস্তানের ওপর আঘাত হানতে মঙ্গলবার শেষরাতে ইসরায়েলে তৈরি বিশেষ ধরনের বোমা ব্যবহার করেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। বিষয়টি ভারতীয় প্রতিরক্ষা সুত্রের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি ও ভারতীয় গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। হারেৎজ, টাইমস অব ইসরায়েল

ইসরায়েলের বামপন্থী গণমাধ্যম হারেৎজের সংবাদে প্রকাশ, ভারতীয় বিমান বাহিনীর পাঁচটি মিরাজ২০০০ মডেলের বিমান ইসরায়েলে তৈরি ¯পাইস ২০০০ স্মার্ট মিসাইল দিয়ে এই আঘাত হানে। তবে টাইমস অব ইসরায়েল একে স্মার্টবম্ব বলেছে। জেন্স ডিফেন্সসহ বিশ্বের অধিকাংশ প্রতিরক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট ¯পাইস-২০০০কে একটি অত্যাধুনিক গ্লাইড বোমা বলে সংজ্ঞায়িত করেছে। এই সুক্ষ্ম বিরোধের কারণ অবশ্য ¯পষ্ট। ¯পাইস বোমাগুলো মিসাইলের মতোই শত্রুর রাডারের চোখ এড়িয়ে বাতাসে গ্লাইড করে বা ভেসে লক্ষ্যবস্তুর দিকে এগিয়ে যায়।

ভারতের দাবী এই বোমার মাধ্যমে নিরাপদ দূরত্ব থেকেই পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী শিবিরে আঘাত হেনেছে ভারতীয় বিমান বাহিনী। এইক্ষেত্রে ¯পাইস বোমার বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা প্রয়োজন। এর প্রতিটির ওজন ১ হাজার কিলোগ্রাম। এতে ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক জ্যামিং প্রুফ জিপিএস সিস্টেম। ফলে একবার লক্ষ্যবস্তুর ম্যাপ এবং অবস্থান এতে আপলোড করা হলে এই বোমাগুলো নির্দিষ্ট স্থানে শতভাগ নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। এতে অপটিক্যাল গাইডেন্স ব্যবস্থাও সংযোজিত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা বিশ্বের তৈরি বোমাগুলোকে বিশেষ ধরনের যন্ত্রপাতি সংযোজনের মাধ্যমে ¯পাইস বোমায় রূপান্তর করা সম্ভব। ইসরায়েল একে একটি সস্তা এবং অধিক কার্যকর কনভার্সন

ভারত এবং ইসরায়েলের মাঝে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আওতায় ¯পাইস-২০০০ বোমা বিক্রি করা হয়। ইসরায়েলের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিরক্ষা কো¤পানি রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেম এই অস্ত্রের নির্মাতা। সর্বপ্রথম ২০০৩ সালে ¯পাইস-১০০০ বোমা ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর সার্ভিসে আসে। এরপর ২০১৬ সালের গোঁড়ার দিকে সার্ভিসে আসে ¯পাইস-২০০০। গাজা উপত্যকা এবং সিরিয়ায় এই অস্ত্রের সাহায্যে অনেকবার হামলা করেছে ইসরায়েল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত