শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধ বন্ধের পথে ট্রাম্প: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ◈ সিলেটগামী উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনে ভয়াবহ আগুন ◈ নজরদারিতে অনেকেই, এক-এগারোর কুশীলবদের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে ◈ শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার ◈ আজ ঘোষণা হবে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ◈ ইরানে পারমাণবিক হামলার আশঙ্কা: জাতিসংঘ কূটনীতিকের বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস ◈ আইএলও অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতি ৪৭ দেশের সমর্থন, শ্রম সংস্কারে অগ্রগতির প্রশংসা ◈ সংসদে ইলিয়াস আলীর খোঁজ চাইলেন স্ত্রী লুনা, গুমের বিচার দাবি ◈ ব‌কেয়া টাকা প‌রি‌শোধ না হওয়ায় টি- স্পোর্টসের সাথে চুক্তি বাতিল জিও স্টারের, দেখা যাবে না আইপিএল ◈ জ্বালানি মজুতকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, দেশজুড়ে উদ্ধার ২ লাখ লিটার তেল

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১০:২৩ দুপুর
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ১০:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সোলার প্যানেল ভিত্তিক সেচ পাম্পের সুবিধা পাচ্ছে না বরগুনার কৃষকেরা

নুর নাহার : বরগুনায় পাথরঘাটার মানিকখালি গ্রামে দুই বছরেও শুরু করা হয়নি সোলার প্যানেল ভিত্তিক কৃষি সেচ পাম্প। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বলছে, পাম্পের দায়িত্বে থাকা স্কিম ম্যানেজারের উদাসীনতায় চালু হয়নি পাম্পটি। এতে বিনামূল্যে সেচ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ কৃষকেরা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্কীম ম্যানেজার। নানান অযুহাত দেখান তিনি। তাই প্রশাসন খুব তাড়াতাড়ি নতুন কাউকে দায়িত্ব দেয়ার কথা জানিয়েছে। চ্যানেল ২৪।

মানিকখালি গ্রামের এই সোলার প্যানেল সিস্টেমে শক্তিশালী সেচ পাম্প বসায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। খরচ হয় তেইশ লক্ষ টাকা। উদ্দেশ্য ছিলো ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্প বা ভর্তুকি কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে সেচের পানি পাবে কৃষকেরা। কিন্তু দুই বছরেও এই সুবিধা পায়নি কৃষক। এক দিনের জন্যও সেচ পাম্পটি চালু করেননি স্কিম ম্যানেজার, স্থানীয় ইউপি সদস্য হেমায়েত উদ্দিন অপু। পরিশোধ করেননি বিএডিসির বার্ষিক ভাড়াও।

স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, আমরা উপকৃত হওয়ার জন্যই সরকারের কাছে সেচ পাম্প চেয়েছি। যাতে করে আমরা ইরি, আলু, সবজি সময় মতো আবাদ করতে পারি। আমরা যেনো কৃষি উন্নয়ন করতে পারি।

তারা আরো বলেন, আমরা সেচ পাম্প ঠিকই পেয়েছি কিন্তু এখনো পানি পাইনি। এখনো কালভার্ট হয়নি তাই আমরা এর থেকে কোনো উপকার পাইনি।

কিন্তু এসব অভিযোগ মানতে রাজি হননি স্কিম ম্যানেজার অপু। উল্টো দোষ চাপিয়ে দেন বিএডিসির ওপর। হেমায়েত উদ্দীন অপু বলেন, ইরি চাষের জন্য যে সময় পানি প্রয়োজন, সে সময় নদী থেকে খালে লবণ পানি ঢোকে। বিএডিসি এর সাথে কথা ছিলো এ খালে একটি কালভার্ট তৈরি করে দেবে, যাতে মিষ্টি পানি আটকে রাখা যায়। আমরা সেই পানিটা কাজে লাগাবো।

এই সমস্যা সমাধান করতে নতুন কাউকে দায়িত্ব দিতে চায় কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন পাম্পটি পরিচালনার জন্য। সহকারী প্রকৌশলী (ক্ষুদ্র সেচ), বিএডিসি, প্রিন্স কুমার মল্লিক বলেন, যেটা আমাদের প্রজেক্টে নাই সেটা আমরা দিতে পারবো না আর এমন কথাও আমরা তাদেরকে দেইনি। আর তারা যে খাল কাটার কথা বলছেন, সেটি তিন বছর আগে পুনঃখনন করা। এমন নয় যে আমরা সময় দেইনি। তারা দায় সারার জন্য এমন কথা বলছেন।

সেচ পাম্পটি চালু হলে বিনামূল্যে সেচের পানি যাবে কৃষকের দু হাজার একর জমিতে। উপকৃত হবেন প্রায় ১০০০ কৃষক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়