প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নওগাঁয় ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

আশরাফুল নয়ন, নওগাঁ প্রতিনিধি: নীতিমালার কোনো তোয়াক্কা না করে নওগাঁয় ফসলি জমির মাটি যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। জমির উপরের অংশ ইটভাটায় যাওয়ায় জমির উর্বরতা হারাচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের সূত্র মতে, জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ১৭০টি ইটভাটা আছে। যার অধিকাংশরই পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নাই।

ইট তৈরির প্রধান কাঁচামাল মাটি। ফসলি জমির মাটি ইট তৈরিতেও সুবিধা। এছাড়া হাতের নাগালে হওয়ায় কৃষকদের বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে টাকার বিনিময়ে কিনে নেয় একটি পক্ষ। এরপর তারা বেশি দামে ইটভাটায় মাটি সরবরাহ করে থাকেন। জমির উপরের অংশ ইটভাটায় যাওয়ায় জমির উর্বরতা ক্ষমতা হারাচ্ছে। ফসলি জমির উপরিভাগের মাটিতে যে জীপসাম বা দস্তা থাকে তা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এছাড়া মাটিতে যে জীবানু থাকে এবং অনুজীবের কার্যাবলি আছে তা সীমিত হয়ে যাচ্ছে। এতে করে দিন দিন ফসলি জমিতে উৎপাদন ক্ষমতা কমছে।

সদর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক দুলাল হোসেন ও সোহেল বলেন, ইটভাটা থেকে লোকজন এসে কৃষকদের খুব করে বোঝায় মাটি বিক্রি করা হবে কিনা। এতে করে অনেক কৃষক লোভে পড়েই মাটি বিক্রি করে। মূলত ফসলি জমির উপরের অংশের মাটি ইটভাটায় বিক্রি করা হয়ে থাকে। এতে করে দেড় থেকে দুই বছর ওই জমিতে তেমন ফসল উৎপাদন হয় না। তবে প্রচুর পরিমান জৈব্য সার, খৈল, জিপসাম, ফসফেট ও পটাসসহ বিভিন্ন সার ব্যবহার করা হলে পূর্বের মতোই আবাদ হয়ে থাকে।

নওগাঁ জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ইটভাটাগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আইনে ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। এছাড়া ফসলি জমি থেকে ইটভাটায় মাটি না নেয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সচেতনতা বাড়ানো হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত