প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দুই কারণে সরকার বেশিদিন টিকবে না: খন্দকার মোশাররফ

যুগান্তর : দুটি অস্বাভাবিক ঘটনার ফলে সরকার বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটশন মিলনায়তনে শুক্রবার বিকালে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শুক্রবার বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাবাসের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তার মুক্তির দাবিতে আজও সারা দেশে (ঢাকা মহানগর বাদে) প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে দলটি।

সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গঠন প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের বাইরে রেখে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। আর দেশে কোনো ভোট হয়নি। এই দুটি অস্বাভাবিক ঘটনার ফলে সরকার বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না।

প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, আমাদের ঘুরে দাঁড়াতে হবে। এই জন্য দলের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করতে হবে। বিগত দিনে দলের যারা নির্যাতিত হয়েছেন তাদের পাশে দলের নেতা এবং যারা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তাদের দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে সাহস নিয়ে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আমরা ঘুরে দাঁড়াব। এ জন্য সংগঠনগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ৮০ ভাগ মানুষ ধানের শীষের ভোট দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল। এটা সরকারের কাছে গোপন থাকেনি। তাই ২৯ তারিখেই সরকার ভোট সম্পন্ন করেছিল। ৩০ তারিখ এ দেশে কোনো ভোট হয়নি। ২৯ তারিখ ভোট হয়েছে, এটা আমেরিকার প্রেসিডেন্টসহ দেশি-বিদেশি সবাই জানে।

খালেদা জিয়াকে বেশিদিন আটকে রাখা যাবে না মন্তব্য করে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ধানের শীষে ভোট দিতে পারলে এতদিনে খালেদা জিয়া মুক্ত হতেন। সরকার জানে, দিনের বেলায় ভোট হলে আওয়ামী লীগ জয়ী হতে পারবে না; তাই তারা রাতের বেলায় ভোট করছে।

তিনি বলেন, বিএনপি পরাজিত হয়নি। আওয়ামী লীগ পরাজিত হয়েছে। কারণ তারা একজনও নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারেনি। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিমের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আজম খান।

এছাড়া বক্তব্য দেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আতাউর রহমান ঢালী, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, শ্রমিক দলের নাসিম হোসাইন, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, ছাত্রদলের আকরামুল হাসান প্রমুখ।

আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত