প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যেভাবে তৈরি হয় ঘানি ভাঙ্গা তেল

মঞ্জুর মোর্শেদ : প্রবাদ আছে, কলুর বলদ। কলু অর্থ তেল তৈরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি আর বলদ হচ্ছে গরু। আগে কলুর বলদের মধ্যমেই ঘানি ভেঙ্গে তেল তৈরি করা হতো। এই প্রবাদটি এখনো প্রচলিত থাকলেও প্রযুক্তির উন্নতির ফলে এখন আর সেই ঘানি, বা ঘানি ভেঙ্গে তেল তৈরির প্রক্রিয়াটি নেই। সূত্র : সময় টিভি

তবে বর্তমান সময়ে এখনো অনেকেই লাভ-ক্ষতির হিসেবে না গিয়ে সন্ধান করে চলেছেন প্রাকৃতিক বিশুদ্ধতার। প্রযুক্তির বিপরীতে সেই অর্গানিক ক্রেতা ও বিক্রেতার টিকে থাকার বিষয়টি সম্প্রতি উঠে আসে। যেখানে রয়েছে কলু , কলুর বলদ, তেঁতুল কাঠের ঘানি, দেশি সরিষা আর শতভাগ বিশুদ্ধতা।

ঢাকার অদূরে সাভারের দক্ষিণ নামাবাজারে বেশ কয়েকটি দোকানে তেল তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে আদি কালের ঘানি। বিষয়টি বর্তমান সময়ের আধুনিক মানুষের কাছে বেশ চমকপ্রদ ও কৌতুহলের।

কাঠের বিভিন্ন সরঞ্জাম দিয়ে সাজানো হাতে তৈরি যন্ত্রের চারিদিকে নির্বিকারভাবে ঘুরে চলেছে কলুর বলদ, দু চোখ বাঁধা বাঁশের তৈরি বিশেষ ধরণের দুটি ছোট ঝুড়ি দিয়ে। কোন রকম অসম্মতি ছাড়াই অনবরত ঘুরে চলছে গরু আর তৈরি হচ্ছে দেশি সরিষার খাঁটি তেল। ফোটায় ফোটায় তেল জমা হচ্ছে নিচে রাখা পাত্রে।

তবে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে তেল তৈরিতে সময়, শ্রম ও খরচ দুটোই অনেক বেশি। শক্তিশালী গরুগুলোর খাবার জোগাতেও খরচ হয় অনেক টাকা। আর তাই এই তেলের দামটিও বেশি। তবে দাম বেশি হলেও প্রায় দুস্প্রাপ্য এই ঘানির তেলের চাহিদা কিন্তু ব্যাপক।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত