শিরোনাম
◈ জাতিসংঘসহ ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ পাঁচটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনেই শীর্ষ পদে শিবির প্রার্থীদের জয়ের কারণ কী? ◈ এনআইডি সংশোধন চালু নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ গাজীপুরে ঝুটের আগুন ছড়িয়েছে ১০ গুদামে, ৩ ঘণ্টাতেও আসেনি নিয়ন্ত্রণে (ভিডিও) ◈ আমরা খেলব, কিন্তু ভারতের বাইরে খেলব: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ চিকিৎসা খরচ কমাতে বড় পদক্ষেপ সরকারের ◈ যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড আরোপ দুঃখজনক হলেও অস্বাভাবিক নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ হাসনাতের আসনে নির্বাচন করতে পারবেন না বিএনপির মঞ্জুরুল: চেম্বার আদালতের রায় ◈ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কি পুনর্গঠন হবে? : ফরেন পলিসির বিশেষ প্রতিবেদন ◈ ধর্মঘট প্রত্যাহার, এলপি গ্যাস বিক্রি শুরু

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০১৯, ১১:৪৫ দুপুর
আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০১৯, ১১:৪৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

টাঙ্গাইল বিআরটিএ অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্যে হয়রানির শিকার গ্রাহক

মোহাম্মদ মাসুদ: টাঙ্গাইল বিআরটিএ অফিস মানে দালালের দৌরাত্ম্য আর গ্রাহকদের জিম্মি করে টাকা আদায়ের উৎসব। অফিসে ঢুকলে কে দালাল আর কে কর্মচারী সেটা বোঝা মুশকিল। অফিসের সামনেই টেবিল চেয়ারে বসে নানা কাগজপত্র এবং ফরম পূরণ করছে দালালরা। এরাই গ্রাহকদের জিম্মি করে সরকার নির্ধারিত ফি এর চাইতে অনেক বেশি টাকা নিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন ও নবায়নসহ অন্যান্য কাগজপত্র সরবরাহ করছে।

দালালদের সঙ্গে অফিসের কর্মচারীদের যোগসাযগ থাকায় লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন প্রত্যাশীরা সরাসরি অফিসে গেলেও বাহিরে থাকা দালালের সাঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন কর্মকর্তারা। ফলে সেবা নিতে এসে দালালদের মাধ্যমেই লাইসেন্স প্রতি সরকার নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা গুণতে হচ্ছে গ্রাহকদের। সূত্র : সময় টিভি

ভুক্তভোগীরা জানান, সরাসরি কোনো কাজ করতে পারি না নানা অজুহাতে। এটা ভুল, ওইটা ভুল। আসলে কিছুই না, শুধু টাকার জন্য আমাদের হয়রানি করা হয়। কেউ কেউ কন্ট্রাক্ট করে ৮ হাজার, আবার কেউ করে ৯ হাজার টাকায়।

তবে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সিসিটিভির মাধ্যমে অফিসের যাবতীয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের দাবি জানিয়েছেন টাঙ্গাইল সার্কেলের বিআরটিএ সহকারী পরিচালক মো. আবু নাঈম। তিনি আরো বলেন, লাইসেন্সের জন্য হয়রানির শিকার হচ্ছেন অথবা দালালের দৌরত্ম্যের বিষয়ে অভিযোগ কেউ করেনি।

অবশ্য অসাধু কর্মকর্তা ও দালালদের দৌরাত্ম্য স্বীকার করে জেলা প্রশাসক জানালেন, দ্রæতই গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, অনিয়মের অভিযোগ পেলে আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিবো। যারা গাড়ি চালাতে পারেন না, তারা যেন লাইসেন্স না পায় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

টাঙ্গাইল বিআরটিএ অফিসে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ৬ হাজার ১২৫টি লাইসেন্স থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭৭ হাজার টাকা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়