শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা, ইউরোপে কমছে চাহিদা ও আয় ◈ মাত্র তিন মাসে কোটি টাকার হিসাবের বড় উল্লম্ফন ◈ কর্মসংস্থানে আসছে ১৪ লাখ বেকার ◈ সংসদে ইংরেজিতে বক্তব্য রাখলেন জেবা আমিন, স্পিকারের রসিকতা: ‘আগামী বছরের জন্য প্র্যাকটিস করতে থাকেন’(ভিডিও) ◈ ২৪ ঘণ্টার বদলে ৪৮ ঘণ্টার হলে হয়ত আরো বেশি কাজ করা যেত, দায়িত্বের একটা চাপ অসম্ভবভাবে অনুভব করছি: তারেক রহমান  ◈ কলকাতায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মোশাররফ করিম দম্পতি! ◈ এস আলমের বৈশ্বিক সাম্রাজ্য নিয়ে বাড়ছে নজরদারি, স্পটলাইটে রেনেসাঁ ও ফোর পয়েন্টস কেএল ◈ নিউইয়‌র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, পুলি‌শের হস্ত‌ক্ষে‌পে প‌রি‌স্থি‌তি শান্ত ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী জার্মানি ◈ যখন-তখন দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেওয়া সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়: স্পিকার

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৪:০৭ সকাল
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৪:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষার অবক্ষয়ই অরিত্রিদের মৃত্যুর কারণ : অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন

কামরুল হাসান : শহরে শিক্ষার্থীদের অপমৃত্যুর ঘটনা যতোটা ঘটে গ্রামে ততোটা ঘটে না। কেননা, গ্রামে এখনো পারিবারিক বন্ধনটা টিকে আছে, যেটা শহরে দেখা যায় না। একটি শিশু প্রথমে তার পরিবার থেকেই মৌলিক শিক্ষা নেবে, তারপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাকে সামাজিক শিক্ষা দেবে। কিন্তু পারিবারিক সম্পর্কগুলো ভেঙে যাওয়া ও সামাজিক অবক্ষয়ের ফলে আজ অপমৃত্যুর খবর গুলো শুনতে হয় । ডিবিসি টেলিভিশন চ্যানেলে মন্তব্য করেন মাউশির সাবেক মহাপরিচালক, অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামাজিকতা শিক্ষা দেয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। স্কুলের কাজ হলো একটি বাচ্চার মানসিক বিকাশ ঘটিয়ে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে স্কুলগুলো আজ তার অবস্থান থেকে সরে গিয়ে বাণিজ্যে লিপ্ত হয়েছে। বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মাউশিতে প্রতিদিনই অভিযোগ আসে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুলের মতো বড় স্কুলগুলোতে অভিভাবক প্রতিনিধি বা গভর্নিং বডি শিক্ষার মানোন্নয়নের চেয়ে অন্য উদ্দেশ্যের প্রতি বেশে মনোযোগী। তার সাথে যোগ করেন ভিকারুননিসা স্কুলের শিক্ষকদের অসহযোগিতার কথাও।

তিনি বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা বাইরে থেকে কোনো প্রধান শিক্ষক দিলে তা মানতে চান না এবং সেখানে বেশি দিন কোন প্রধান শিক্ষক টিকতে পারেন না। বাণিজ্যই এর পেছনের কারণ বলে মনে করেন এবং এটা যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব বন্ধ হওয়া দরকার।

তিনি কাউন্সিলিংয়ের প্রতি জোর দিয়ে বলেন, একজন শিক্ষার্থী যখন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে তখন শিক্ষকের সহচর্যা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে। একজন শিক্ষকই পারে শিক্ষার্থীর মনের ভিতরে বিচরণ করতে। পাশাপাশি বাবা-মায়ের ভূমিকা অগ্রগণ্য করতে পারে বলে মন্তব্য করেন। সম্পাদনা : মুহাম্মদ নাঈম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়