শিরোনাম
◈ টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়াতে পারে আইসিসি ◈ ডলার নয়, ভারতীয় রুপিতে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চায় রাশিয়া ◈ ভারতের দায়িত্ব ছাড়লেন সহকারী কোচ ডেসকাট, যুক্ত হচ্ছেন কলকাতা নাইটরাইডা‌র্সে ◈ কর্ণফুলী টানেলে চার রাতের জন্য বদলাচ্ছে যান চলাচলের নিয়ম ◈ দৈনিক ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ঘাটতিতে দেশ ◈ বিশ্ববাজারে প্রবৃদ্ধি, কিন্তু বাংলাদেশের রফতানি বাড়ল মাত্র ০.৮৯ শতাংশ ◈ মৃত্যুদণ্ডের বিধানেও কমছে না ‘পাগল করা’ মাদকের বিস্তার ◈ সিটি করপোরেশনের তালিকায় যুক্ত হতে যাচ্ছে কক্সবাজার ◈ ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের প্রশংসা, ওয়াশিংটনে বিক্ষোভের মুখে নেতানিয়াহু ◈ দেশের ২১ বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্বে নতুন মুখ

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৪:০৭ সকাল
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৮, ০৪:০৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষার অবক্ষয়ই অরিত্রিদের মৃত্যুর কারণ : অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন

কামরুল হাসান : শহরে শিক্ষার্থীদের অপমৃত্যুর ঘটনা যতোটা ঘটে গ্রামে ততোটা ঘটে না। কেননা, গ্রামে এখনো পারিবারিক বন্ধনটা টিকে আছে, যেটা শহরে দেখা যায় না। একটি শিশু প্রথমে তার পরিবার থেকেই মৌলিক শিক্ষা নেবে, তারপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাকে সামাজিক শিক্ষা দেবে। কিন্তু পারিবারিক সম্পর্কগুলো ভেঙে যাওয়া ও সামাজিক অবক্ষয়ের ফলে আজ অপমৃত্যুর খবর গুলো শুনতে হয় । ডিবিসি টেলিভিশন চ্যানেলে মন্তব্য করেন মাউশির সাবেক মহাপরিচালক, অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন।

তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামাজিকতা শিক্ষা দেয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। স্কুলের কাজ হলো একটি বাচ্চার মানসিক বিকাশ ঘটিয়ে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে স্কুলগুলো আজ তার অবস্থান থেকে সরে গিয়ে বাণিজ্যে লিপ্ত হয়েছে। বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মাউশিতে প্রতিদিনই অভিযোগ আসে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুলের মতো বড় স্কুলগুলোতে অভিভাবক প্রতিনিধি বা গভর্নিং বডি শিক্ষার মানোন্নয়নের চেয়ে অন্য উদ্দেশ্যের প্রতি বেশে মনোযোগী। তার সাথে যোগ করেন ভিকারুননিসা স্কুলের শিক্ষকদের অসহযোগিতার কথাও।

তিনি বলেন, স্কুলের শিক্ষকরা বাইরে থেকে কোনো প্রধান শিক্ষক দিলে তা মানতে চান না এবং সেখানে বেশি দিন কোন প্রধান শিক্ষক টিকতে পারেন না। বাণিজ্যই এর পেছনের কারণ বলে মনে করেন এবং এটা যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব বন্ধ হওয়া দরকার।

তিনি কাউন্সিলিংয়ের প্রতি জোর দিয়ে বলেন, একজন শিক্ষার্থী যখন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে তখন শিক্ষকের সহচর্যা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়ে। একজন শিক্ষকই পারে শিক্ষার্থীর মনের ভিতরে বিচরণ করতে। পাশাপাশি বাবা-মায়ের ভূমিকা অগ্রগণ্য করতে পারে বলে মন্তব্য করেন। সম্পাদনা : মুহাম্মদ নাঈম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়