শিরোনাম
◈ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, সুবিধা পাবেন উদ্যোক্তারা ◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ ◈ নতুন মোড় তনু হত্যা মামলায়, সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০১৮, ০৪:২৯ সকাল
আপডেট : ০৮ নভেম্বর, ২০১৮, ০৪:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি উপন্যাসের নাম ‘চরিত্রহীন’

মোহাম্মদ আলী বোখারী, টরন্টো থেকে

‘এ হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়ান লিটারেচার ১৯১১-১৯৫৬ : স্ট্রাগল ফর ফ্রিডম : ট্রাম্ফ অ্যান্ড ট্র্যাজেডি’ বইয়ের ভাষায়, পাক-ভারত উপমহাদেশে বাংলা সাহিত্যের অনন্য দিকপাল শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হচ্ছেন ঔপন্যাসিক এবং ছোট গল্পের লেখক; যার সাহিত্যকর্মের পুরোটাই বাংলার জীবনযাত্রা, দুঃখ-কষ্ট এবং সম-সাময়িক সামাজিক রীতি-নীতিতে ঠাসা। সে কারণে এখনও তিনি এই ভূখ-ে সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয়, অনুদিত, অনুসরণীয় এবং নকল হওয়া লেখক। বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলির দেবানন্দপুর গ্রামে তার জন্ম ১৮৭৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এবং মৃত্যু ১৯৩৮ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায়। শিক্ষায় অষ্টম শ্রেণিতে থাকাকালীনই শেষ করেছেন এন্ট্রান্স পরীক্ষা, যদিও অধিকাংশ শিক্ষাই অর্জন হয়েছে পাঠশালায়। রাজনীতিতে ১৯২১-১৯৩৬ সালে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের হাওড়া শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পেয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘জগত্তারিণী’ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাহিত্যে ডক্টরেট অর্থাৎ ডি. লিট। বলা হয়, তিনিই আমাদের নারীদের অগ্রবর্তী করার প্রধানতম পুরুষ।

এই অতুৎজ্জ্বল মহান লেখকের একটি উপন্যাসের নাম হচ্ছে ‘চরিত্রহীন’। প্রকাশকাল ১৯১৭ সাল এবং তাতে ঊনিশ শতকের সমাজব্যবস্থার চিত্রই বিধৃত। ওই উপন্যাসে লেখক চারটি প্রধান নারী চরিত্রকে তুলে ধরেছেন; যার দুজন মুখ্য, সাবিত্রী ও কিরণময়ী এবং অপর দুজন গৌণ, সুরবালা ও সরোজিনী।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ অনলাইন বইবিক্রেতা ‘আমাজন’-এ ওই ‘চরিত্রহীন’ বইটির বর্তমান মূল্য ১৫ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ বাংলাদেশি ১,২৫৭.১৫ টাকা। তাতে বইয়ের পেছনের প্রচ্ছদে ওই চার নারী চরিত্র সম্পর্কে ইংরেজিতে লেখা- ‘দ্য ফর্মার টু আর অ্যাকুউজ্ড অব বিয়িং চরিত্রহীন (ক্যারেক্টারলেস)। ইট ইজ মোস্ট ইন্টারেস্টিং দ্যাট অল ফোর ক্যারেক্টার্স আর টোটালি ডিফারেন্ট।’ অর্থাৎ আগের দুজন চরিত্রহীন হিসেবে চিত্রায়িত। মজার বিষয়, ওই চারটি চরিত্রই পুরোপুরি ভিন্ন।

কৌতুহলিদের জন্য জানিয়ে রাখা ভালো, শরৎচন্দ্র চরিত্রহীন সাবিত্রী সম্পর্কে উপন্যাসটিতে লিখেছেন, ‘সাবিত্রী বাসার ঝি এবং গৃহিণী। চুরি করিত না বলিয়া খরচের টাকাকড়ি সমস্তই তাহার হাতে। একহারা অতি সুশ্রী গঠন। বয়স বোধ করি একুশ-বাইশের কাছাকাছি, কিন্তু মুখ দেখিয়া যেন আরও কম বলিয়া মনে হয়। সাবিত্রী ফরসা কাপড় পরিত এবং ঠোঁট-দুটি পান ও দোক্তার রসে দিবারাত্রি রাঙা করিয়া রাখিত।’ তাই কৌতুহল মেটাতে পড়–ন, এরপরও সাবিত্রী কেন ‘চরিত্রহীন’। কেনই-বা নারীদের অগ্রবর্তী করার প্রধানতম লেখক তাদের ‘চরিত্রহীন’ বলেছেন?

ই-মেইল: [email protected]

সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়