প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদেরকে সৃজনশীলতা শিখাতে হবে

ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক : লেখাপড়ার জায়গাটাই হচ্ছে সৃজনশীলতার জায়গা। লেখাপড়া করেই সৃজনশীল হওয়া উচিত। সৃজনশীলতা মানুষের মাঝে সবসময়ই আছে। ছাত্র-ছাত্রীদের অন্যতম গুন হচ্ছে সৃজনশীলতা। একজন কৃষক তার কাজে সৃজনশীল হয়, একজন শ্রমিক তার কাজে সৃজনশীল হয়। এই সৃজনশীলতাকে নিয়ে এত টানাটানির তো কিছু নাই। প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুদেরকে সৃজনশীলতা শিখাতে হবে। কে কি করছেন, সে বিষয়ে তার একটি সৃজনশীল ধারনা রাখতে হবে। আজকে সৃজনশীলতা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে, এটা কোনভাবেই আসার কথা ছিলো না।

আমরা সৃজনশীলতাকে আলাদা করে কেন দেখতেছি? সৃজনশীলতা তো আমাদের প্রত্যেকের মাঝে আছে। সৃজনশীলতাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে এবং তার জন্য প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করতে হবে। সৃজনশীল শুধু প্রশ্ন নয়, সৃজনশীল পাঠদান, সৃজনশীল কাঠামো, সৃজনশীল পুস্তক সবকিছুই সৃজনশীল হতে হবে। এগুলোকে বাদ দিয়ে শুধু সৃজনশীল প্রশ্ন, সৃজনশীল প্রশ্ন করে এই সৃজনশীল পদ্ধতিকে আজকে এই পর্যায়ে নামিয়ে আনা হলো। শিক্ষকরা যে সৃজনশীল বুঝে না, এটা ভুল কথা।

কেননা, শিক্ষক তো একটা ক্লাসের ৫০ জন ছাত্রকে একই পদ্ধতিতে বুঝাতে পারবে না। একটা ক্লাসে কেউ ভালো ছাত্র থাকে, কেউ মোটামুটি ভালো থাকে। কেউ একটু বুঝতে সময় নেয় বেশি। শিক্ষকদের একটু সময় দিয়ে বুঝাতে হবে সকলকে। সৃজনশীল প্রশ্নকে আলাদা করে দেখার জন্য আজ সৃজনশীলতা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। কি ধরনের প্রশ্ন করা হবে, সে বিষয়ে শিক্ষকদেরকে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সেমিনার করতে হবে। মানুষ মাত্রই সৃজনশীল, এটা মাথায় রাখতে হবে।
পরিচিতি : সাবেক ভিসি, ঢাবি / মতামত গ্রহণ : মো. এনামুল হক এনা / সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ