শিরোনাম
◈ শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে লড়াইয়ে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ডসহ চার দেশের প্রতিষ্ঠান ◈ শ্রমিক বিক্ষোভে বিপর্যস্ত পোশাকশিল্প, মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বিদেশি ক্রেতারা ◈ দেশেই উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ায় মিলল পেটেন্ট, বদলে যেতে পারে দেশের কৃষি অর্থনীত ◈ বৃহস্পতিবার মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রেখে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের ◈ ইসরাইলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ প্রবীণদের সুস্থ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার: ১৯ নভেম্বর আইসিজের ঐতিহাসিক রায় ◈ রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন রণধীর জয়সওয়াল ◈ আবেদনের চেয়েও ১ কোটি টাকা বেশি: বড়দিনে ৩ কোটি টাকা অনুদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০১৮, ০৭:২৫ সকাল
আপডেট : ২৭ এপ্রিল, ২০১৮, ০৭:২৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনিয়ন্ত্রিত গণপরিবহন, রাজধানীর ৮৯ শতাংশ চালকই মাদকসেবী

হ্যাপী আক্তার : রাজধানীরি অধীকাংশ গাড়ি চালকই মাদকাশক্ত। বেসরকারি সংস্থার জরিপে বলছে ৮৯ শতাংশ বাস চালকই মাদকাশক্ত। বিষয়টি সিকার করেছে মালিক সমিতির নেতারা। আর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদকাশক্ত অবস্থায় গাড়ি চালালে সড়ক দুর্ঘটনার শঙ্কা বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

চালকের দাবি গাড়ি চালানোয় মনোযোগ ও যাত্রীদের সাথে বির্তকের সময় নিজের ওপরে নিয়ন্ত্রণ আনতেই তারা মাদক সেবন করে থাকেন।

রাজধানীর মোহাম্মদ পুরে দিনে দুপুরে চলে চালক-শ্রমিদের মাদক সেবন। ১৮ বছরের গাড়ি চালানোর সঙ্গী হচ্ছে গাজা।চালকদের দাবি মাদক ছাড়া জীবন অচল, মাদক সেবন না করলে গাড়ি চালাতে সমস্যা হয় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা।

পরিবহনের চালকদের টার্গেট করে রাজধানীতে চলে মাদকের রমরমা বাণিজ্য। রাজধীতে এমন অনেক মাদক ব্যবসায়ী আছে যাদের দেখে মনে হবে সে মানসিক রোগী।

গাড়ি চালকদের মাক সেবনের কথা জানা আছে মালিকদের অনেকেরই। তবে নিয়ন্ত্রণ করতে তেমন কোনো দাবি করেন না তারা।

ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেছেন, আমি মনে করি আমরা হাজার বলার পরেও চালকরা মাদক সেবন করে। সেহেতু এই অবস্থাতে চালকেরা সুযোগ নিয়ে থাকে।

বিশেজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলছেন, মাদকাশক্ত কোনো চালকেই সুস্থভাবে গাড়ি চালাতে পারেন না।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, মাদক গ্রহণ করার পরে তাৎক্ষনিকভাবে তাদের শরীরে সাময়িক উত্তেজনা শুরু হয়। যার কারনে অনেক সময় দুর্ঘটা ঘটে যায়।

ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদক নিরাময় কেন্দ্রের আবাসিক চিকিৎসক বলেছেন, যেহেতু তারা মাদক সেবন করে গাড়ি চালায় সে কারনে চালকের সেই সময়ে বিচার, বুদ্ধি ও বিবেচনার কাজ করে না।

অনিয়ন্ত্রিত বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারনে অনেক সময় হাত, পা ও প্রাণ হারাচ্ছে অনেকেই। সূত্র : যমুনা টিভি

  • সর্বশেষ