শিরোনাম
◈ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জেও পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি, আয় ১০.৫৮ বিলিয়ন ডলার ◈ সেন্ট মার্টিনে বাড়ছে রাত্রিযাপনের সুযোগ, নতুন নিয়ম নিয়ে যা জানা গেল ◈ রমজানের আগে ২ হাজার ইউপি নির্বাচন, জানুয়ারিতে শুরু করার পরিকল্পনা ◈ জরিমানা ছাড়াই ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বাড়াল এনবিআর ◈ কক্সবাজার ও পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা নিশ্চিত করেছে এয়ার এশিয়া: বিমান পরিবহনমন্ত্রী ◈ অফশোর বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়াতে লন্ডনে রোডশো, তথ্য নিয়েছে ১০ কোম্পানি ◈ বাবরির স্মৃতি থেকে উজ্জয়িনী: ভারতে মুসলিমদের ধর্মীয় স্থানের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ◈ সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের জরুরি সতর্কবার্তা ◈ সাইবার অপরাধ দমনে ৪৫৯২ জনের বিশেষ ইউনিট, নিয়োগ পাবেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা ◈ ২ লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল, ২০১৮, ১০:১৮ দুপুর
আপডেট : ২৪ এপ্রিল, ২০১৮, ১০:১৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি না করার আহ্বান শিক্ষকদের

সারোয়ার জাহান : কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী এবং তাদের আত্মীয়-পরিজনকে হয়রানি না করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষক সমিতির কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আবদুস সামাদ এ আহ্বান জানান।

আবদুস সামাদ আরো বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, তারা যেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের, নিরপরাধ কোনো ব্যক্তি এবং তাদের আত্মীয়-পরিজনকে কোনো হয়রানি না করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতি এই আহ্বান জানাচ্ছে যে, তাদের এই আন্দোলনকে কোনোরকম গুজবের ওপর ভিত্তি করে কোনো মহল যেন ফায়দা লুটতে না পারে, সেদিকে তাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

একই সঙ্গে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলনকে যুগোপযোগী ও যৌক্তিক মনে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

বিশ্ববিদ্যালয়কে সচল রাখতে এবং শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে সংবাদ সম্মেলনে সবার সহযোগিতা চান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সম্প্রতি দেশব্যাপী তুমুল আন্দোলন গড়ে তোলেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে বলেন, ‘খুব দুঃখ লাগে দেখলাম, হঠাৎ কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলন। এ আন্দোলনটা কী? সমস্ত লেখাপড়া বন্ধ করে রাস্তায় বসে থাকা। রাস্তার চলাচল বন্ধ করা। এমনকি হাসপাতালে রোগী যেতে পারছে না। কর্মস্থলে মানুষ যেতে পারছে না। লেখাপড়া বন্ধ। পরীক্ষা বন্ধ। এটা সমস্ত জায়গায় ছড়িয়ে পড়ল।’ তিনি বলেন, ‘যখন চায় না, তাহলে দরকার কী? কোটা পদ্ধতিরই দরকার নাই। যারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা প্রতিবন্ধী, তাদের আমরা অন্যভাবে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে পারব।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা এটা (আন্দোলন) করছে, তারা অনেকে আমার নাতির বয়সী। তাদের কিসে মঙ্গল হবে-না হবে, আমরা কি তা কিছুই বুঝি না? তাদের কিসে ভালো হবে, আমরা তা জানি না?’

কোটা বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত ১২ এপ্রিল চলমান আন্দোলন স্থগিত করেন সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা।

এরপর গত ১৯ এপ্রিল রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবি সুফিয়া কামাল হল থেকে তিন ছাত্রীকে বের দেয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, অপতথ্য ছড়ানোয় তাদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

সূত্র : এনটিভি

  • সর্বশেষ