শিরোনাম
◈ ‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন শামীম ওসমান’-পোস্টকার্ডের বিষয়ে যা জানা গেল ◈ জলবায়ু পরিবর্তনে তিন দশকে সবচেয়ে বড় ক্ষতির দায় যুক্তরাষ্ট্রের ◈ রফতানির ৮১ শতাংশই পোশাক খাত, বৈচিত্র্য না বাড়ালে বাড়বে ঝুঁকি! ◈ ডিপো থেকে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় পরিবর্তন ◈ রাজশাহী মেডিকেলের পরিচালককে ফাঁসির কাষ্ঠে চড়ানো উচিত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ দ্রুত ফুরোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভান্ডার, দুশ্চিন্তায় পেন্টাগন: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ◈ স্বর্ণের দাম ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়লো ◈ ভিসা পেলেই প্রবেশ নিশ্চিত নয়, সতর্ক করলো ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ◈ কুয়েত বিমানবন্দরে ব্যাপক হামলা, রাডার ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত ◈ দেশের সব পেট্রোল পাম্প তদারকি করতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করবে সরকার

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৯:৫৫ সকাল
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৯:৫৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নলেজ ইজ পাওয়ার, তাই জ্ঞানের বিকল্প নেই

 ড. মোহিত কামাল

ফেন্সিডিল, ইয়াবা এখন সর্বগ্রাসী। বেকার যুবক ও  ছাত্রদের পাশাপাশি এখন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়াররাও ইয়াবা, ফেন্সিডিল সেবন করে থাকেন। এতে নাকি তাদের মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। ডাক্তারদের এটা ভুল ধারনা। আজকাল ডাক্তারদের এ সব বিষয় পড়ানো হয় না। তাই তারা বুঝতে পারে না যে, তারা কত বড়  ভুল করছে। এটার পরবর্তী কনসিকোয়েন্স সম্বন্ধে তারা জানে না। এটা মানব বিদ্যার একটি বিষয়। অনেক ডাক্তারদেরও নলেজের ঘাটতি আছে। যখন সে ফেন্সিডিল বা ইয়াবা গ্রহণ করে, তখন সে তার নিজের মধ্যে থাকে না। তাই নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনে। তার ব্রেন ম্যাকানিজম বদলে যায়। ব্রেনের ফাংশানাল সিস্টেম বদলে যায়। এতে করে সে অভ্যাসের দাস হয়ে পড়ে। সে তখন পারে না এমন কাজ নেই। এই মাদকের কবলে সব পেশাজীবী। অনেককে বলতে শোনা যায়, গাঞ্জা খাওয়া ভালো। গাঞ্জা খেলে মানুষ নির্মম হয়ে যায়। তার চেহারাও বদলে যেতে শুরু করে। নিজেকে, পরিবারকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। গাঞ্জার ব্যবসায়ীরা তরুনদের লুফে নেয় এবং ভুল পথে চালিত করে। এটা ছাড়তে হবে। এর জন্য নতুন করে যেন আবার কেউ না খায় সে শপথ করতে হবে। ঘর থেকেই আন্দোলন শুরু করতে হবে। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে কথা বলে যুব সমাজকে এই ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানো। আমরা চেষ্টা করতে পারি মাত্র। কিন্তু এই পথে একবার কেউ পা দিলে তাকে ফেরানো দুষ্কর। এটি হাতাশা জনক। আমি একটা পরিসংখ্যান করেছি। বাংলাদেশ সাইকোলজিক্যাল ষ্টাডিজ জানালে প্রকাশিত হয়েছে। তাতে আছে ৫১% গাঞ্জা, ৩০% ইয়াবা আর বাকিরা ফেন্সিডিল খায়। এর থেকে সরে আসতে হলে জানতে হবে। নলেজ ইজ পাওয়ার। জ্ঞানের বিকল্প নেই।

পরিচিতি : মনোবিজ্ঞানী ও চিকিৎসক

মতামত গ্রহণ : সানিম আহমেদ

সম্পাদনা : গাজী খায়রুল আলম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়