শিরোনাম
◈ কক্সবাজারে ৪ হোটেলে ২৮০ অনলাইন ‘জুয়া-প্রতারণার ল্যাব’! ◈ দুই লাখ টাকা ঋণের কিস্তি দিতে দেরি হলে বাড়িতে নোটিশ- মামলা, বড় ঋণ খেলাপিরা কেন শাস্তি পায় না? ◈ শেষ পর্যন্ত হে‌রেই গে‌লো রিয়াল মা‌দ্রিদ ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের বিকল্প খুঁজছে সরকার, ভরসা নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ◈ আর্থিক বিশ্বের নতুন শক্তি হংকং, পেছনে ফেলতে পারে নিউইয়র্ক-লন্ডনকে ◈ শিক্ষার বেহাল দশা নিয়ে আন্দোলনে শিশুরা, ভারতে জেন আলফার উত্থান ◈ বরাদ্দ করা কক্ষে উইপোকা, মধ্যরাতে সার্কিট হাউস ছাড়লেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ◈ বাগেরহাটের খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে আগ্রহী চীন-আমিরাত ◈ শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রামের পথে ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লং মার্চ’ ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পরিণতি কী, জানালেন তিন বিশেষজ্ঞ

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:৫৪ দুপুর
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতের সুপ্রিম কোর্টের টানাপড়েন কোন পথে কাটবে, স্পষ্ট নয়

আশিস গুপ্ত ,নয়াদিল্লি: আবারো বৈঠক করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। কিন্তু  সমাধানের উপায় মেলেনি এখনও।

গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রই বৈঠক ডেকেছিলেন। যে চার বিচারপতি অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে, তাঁদের পাশাপাশি আরও তিন বিচারপতি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু মামলা বণ্টন সংক্রান্ত বিষয়ে যে অভিযোগ সামনে এসেছে, তার সমাধানের কোনও খবর মেলেনি।

বিচারপতি জে চেলামেশ্বর, বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি কুরিয়েন জোসেফ এবং বিচারপতি মদন লোকুরের সঙ্গে সে বৈঠকে বিশদ আলোচনা হয় প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের। বিচারপতি এ কে সিকরি, বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি ইউ ইউ ললিতও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

সপ্তাহ দুয়েক ধরেই টানাপোড়েন চলছে ভারতের সর্বোচ্চ আদালতে । চার বিচারপতি (জে চেলামেশ্বর, রঞ্জন গগৈ, কুরিয়ান জোসেফ, মদন বি লোকুর) সাংবাদিক বৈঠক করে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তোলার পর থেকেই এই টানাপড়েন শুরু। মামলার বণ্টনে অস্বচ্ছতা এবং অসঙ্গতি রয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। বুধবার সেই বিষয়ে আলোচনার জন্যই প্রধান বিচারপতি বৈঠক ডেকেছিলেন।

এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক হয়। টানাপড়েন শুরুর পর থেকে চার সিনিয়র বিচারপতির সঙ্গে এটিই দীর্ঘতম বৈঠক প্রধান বিচারপতির। কিন্তু তাতেও কোনও ফল হয়নি বলে জানা যায়। প্রধান বিচারপতি এবং চার সিনিয়র বিচারপতি ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেননি বলেই জানা গিয়েছে।চার সিনিয়র বিচারপতি যে সব প্রস্তাব প্রধান বিচারপতির সামনে রেখেছিলেন, তা মেনে নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে বৈঠকে খুব বেশি আলোচনা হয়নি। প্রধান বিচারপতি মূলত চার বিচারপতির ক্ষোভ কমানোর উপরেই জোর দেন বলে জানা গিয়েছে।

টানাপড়েন এখন প্রধান বিচারপতি ও চার সিনিয়র বিচারপতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বলে অনেকে মনে করছেন। বুধবারের বৈঠকে আরও তিন বিচারপতির যোগদান থেকেই তা স্পষ্ট মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সকলেই যে চার সিনিয়র বিচারপতির পক্ষে দাঁড়িয়ে প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মত দিচ্ছেন, এমনটা নয় বলেই খবর। কিন্তু ঘটনাচক্রে বিচারপতিদের মধ্যে মতানৈক্য বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে। যত দ্রুত সম্ভব এই পরিস্থিতির অবসান চাইছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা।

সম্পাদনা: সজিব খান

  • সর্বশেষ