শিরোনাম
◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত ◈ ভারতের আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০টির বেশি মসজিদ ◈ ১৪৮ দিন পর জয়ের দেখা, স্বস্তিতে টটেনহ্যাম ◈ সব ধর্মের মানুষের ঐক্যে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ অতিরিক্ত উৎপাদনে আলুর দরপতন, কেজিতে ১৪ টাকা পর্যন্ত লোকসানে কৃষক ◈ মব থামছে না, দিন‌কে দিন রাজ‌নৈ‌তিক চেহারা পা‌চ্ছে, নেপথ্যে কী? ◈ গ্যাস বরাদ্দে সার ও বিদ্যুত বে‌শি গুরুত্ব পাওয়ায় দে‌শের এক হাজার শিল্পকারখানা বন্ধের উপক্রম ◈ দুর্গাপূজার মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে  প্রধানমন্ত্রী তারেক, রংপুর থেকে রাজশাহী, এরপর চট্টগ্রামে ◈ তাঁবু রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ, আয় ২৩ কোটি ডলারের বেশি

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৫৭ দুপুর
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৫৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নেপালের কৃষি পণ্য রফতানিতে আবারও বাধ সাধলো ভারত

মাছুম বিল্লাহ : নেপালের কৃষি পণ্য রফতানিতে আবারও বাধ সাধলো তাদের দক্ষিণের ‘বন্ধুপ্রতীম’ প্রতিবেশী দেশ। এবার নেপালি আদার ট্রাক প্রবেশে বাধা দিলো ভারত।

ঝাপা জেলার কাকারভিট্টা চেকপয়েন্টে দুই সপ্তাহ আটকে থাকার পর আদাভর্তি পাঁচ ডজন ট্রাক ফেরত যেতে বাধ্য হয়। তাদের ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিতে রাজি হয়নি ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

এই সিদ্ধান্ত ভারতের আগের অবরোধের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। ২০১৫ সালে নেপাল যখন ভয়াবহ ভূমিকম্পের ধকল সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিল, তখন তাদের যান চলাচল আটকে দিয়েছিল ভারত। ভয়াবহ ওই ভূমিকম্পে নেপালে প্রায় নয় হাজার মানুষ মারা যায়। আহত হয় ২২ হাজার এবং ঘরবাড়ি হারায় কয়েক মিলিয়ন মানুষ।

অর্থনৈতিক অবরোধে তেল, খাবার ও ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের আমদানি বন্ধ হয়ে যায়, যেগুলোর জন্য ভারতের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল স্থলবেষ্টিত নেপাল। ওই অবরোধে নেপালে মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয় এবং নেপালের অর্থনীতি পঙ্গু হয়ে পড়ে।

আদাবাহী ৬০টি ট্রাক এক সপ্তাহেরও আগে মেচি কাস্টমস অফিসে পৌঁছায়। প্রত্যেকটি ট্রাকে ১৬ টন করে আদা ছিলো। কিন্তু ভারতীয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাদের প্রবেশের অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ রয়েছে বলে জানায় তারা। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের ফিরে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না।

নেপাল জিঞ্জার প্রডিউসার্স অ্যান্ড এন্টারপ্রেনার্স অ্যাসোসিয়েশানের চেয়ারম্যান নরেন্দ্র খাড়কা জানান, “আমরা বিষয়টা নিয়ে বারবার মন্ত্রণালয় পর্যন্ত গিয়েছি। কিন্তু আদা রফতানি করতে পারিনি। আমাদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর, ট্রাকগুলো ফিরিয়ে আনা ছাড়া কোন উপায় ছিল না আমাদের।”

কোন কারণ ছাড়াই ট্রাকগুলো আটকে দেয়ায় ভারতের সমালোচনা করে খাড়কা বলেন, আদা উৎপাদনকারী ও রফতানীকারী উভয়েরই বিশাল ক্ষতি হয়েছে এতে।

তিনি আরও বলেন, “এর আগে যখন তারা আদা আটকে দিয়েছিল, তখন তারা অভিযোগ করেছিল যে আমরা নেপালি আদার সাথে চীনা আদা মিশিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু এ বার তারা বলছে, লাখনৌ কমিশনারের নির্দেশ রয়েছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাণিজ্য চুক্তির পরিপন্থী।”

উদ্যোক্তারা বলছেন, নেপালের আদা আমদানি এমনিতেই কমিয়ে দিয়েছে ভারত। এবার এই হঠকারী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে, নেপাল থেকে ভারতের আদা আমদানি আচমকা থমকে গেলো।-মাই রিপাবলিকা

  • সর্বশেষ