শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ সৌদি আরব সত্যিই কি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে পারে, যা রয়েছে গোয়েন্দা তথ্যে

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:১৪ দুপুর
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত জামায়াতের

হ্যাপী আক্তার: রাজনৈকিত দলের নিবন্ধন অথবা নির্বাচনের প্রতীক না থাকলেও ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে মরিয়া জামায়াতে ইসলামী। ২০ দলীয় জোটে সরিক হলেও আগামীতে সকল সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এ নিয়ে দলে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর অনেকটা গোপন সংগঠনে পরিণত হয় জামায়াত। তারপর থেকে বিভিন্ন সময় চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় তারা। এবার টিকে থাকতে ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে চাইছে দলটি।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিশদলীয় জোটের শরীক হলেও জামায়াত এখন শুধু নিজেদের নিয়ে ভাবছে। এরই অংশ হিসেবে সব সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিবন্ধন হারানো দলটি। পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত পঞ্চাশটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছে তারা।

এরই মধ্যে, ঢাকা উত্তর সিটিতে সেলিম উদ্দিন, সিলেটে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও রাজশাহীতে সিদ্দিক হোসাইনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াত। কুমিল্লা, বরিশাল ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনেও প্রার্থী ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, জামায়েত দল জানান দিতে চায় যে তাদেরও প্রার্থী আছে। জামায়েত জানান দিচ্ছে যে তাদেরও হিসেবে নিতে হবে। অন্য কোনো ইসলামী দলের সাথে তুলনা করলে চলবে না। দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়াতেই এ কৌশল নিয়েছে জামায়াত, এমনটিই মনে করছেন তিনি। আগামী নির্বাচনে জামায়েতকে কম করে হলেও ১০টি সিট দিতে হবে। হয়তো জামায়াতকে সেই সুযোগ দেবে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, তখন বুঝা যাবে। তবে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি জোট ছাড়তে সরকার জামায়াতকে টোপ দিতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

১৯৯১ থেকে সমঝোতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন করে আসছে জামায়াত-বিএনপি। মাঝখানে ১৯৯৬ সালে আলাদা নির্বাচন করায়, ভোটে টান পড়েছিল দু’দলেরই। এরপর আর আলাদা হয়নি তারা।

সূত্র : ডিবিসি নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়