শিরোনাম
◈ একাদশে ভর্তির শেষ সুযোগ, আবেদন করা যাবে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ◈ চাহিদার চেয়ে বেশি আমদানি, তবু কমছে না ফলের দাম ◈ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের সুযোগ, আসছে অধ্যাদেশ ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ডের কারণে তালাক বন্ধ হয়েছে’: চিফ হুইপ ◈ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে প্রবেশ, বাংলাদেশিদের নিয়ে কঠোর হচ্ছে ইইউ ◈ ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গ্রেপ্তার ২৭২ জন ◈ এলন মাস্কের টেসলাকে চ্যালেঞ্জ, রোডস্টারের ওপর দিয়ে উড়ল আলেফের উড়ন্ত গাড়ি! ◈ অনুমতি ছাড়াই অন্যের ওয়ালেট থেকে পরীক্ষামূলক ইথেরিয়াম খরচ করল ওপেনএআইয়ের গবেষণা মডেল ◈ নারী শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্ব, রিবা আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কারে বিশ্বের সেরা নতুন ভবন রংপুরের গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি ◈ ইনানী রিসোর্টে আগুন: ফজরের পর সৈকতে গিয়ে বাঁচলেন দুই বান্ধবী, প্রাণ গেল মুক্তার

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:১৪ দুপুর
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত জামায়াতের

হ্যাপী আক্তার: রাজনৈকিত দলের নিবন্ধন অথবা নির্বাচনের প্রতীক না থাকলেও ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে মরিয়া জামায়াতে ইসলামী। ২০ দলীয় জোটে সরিক হলেও আগামীতে সকল সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এ নিয়ে দলে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর অনেকটা গোপন সংগঠনে পরিণত হয় জামায়াত। তারপর থেকে বিভিন্ন সময় চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় তারা। এবার টিকে থাকতে ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে চাইছে দলটি।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিশদলীয় জোটের শরীক হলেও জামায়াত এখন শুধু নিজেদের নিয়ে ভাবছে। এরই অংশ হিসেবে সব সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিবন্ধন হারানো দলটি। পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত পঞ্চাশটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছে তারা।

এরই মধ্যে, ঢাকা উত্তর সিটিতে সেলিম উদ্দিন, সিলেটে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও রাজশাহীতে সিদ্দিক হোসাইনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াত। কুমিল্লা, বরিশাল ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনেও প্রার্থী ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, জামায়েত দল জানান দিতে চায় যে তাদেরও প্রার্থী আছে। জামায়েত জানান দিচ্ছে যে তাদেরও হিসেবে নিতে হবে। অন্য কোনো ইসলামী দলের সাথে তুলনা করলে চলবে না। দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়াতেই এ কৌশল নিয়েছে জামায়াত, এমনটিই মনে করছেন তিনি। আগামী নির্বাচনে জামায়েতকে কম করে হলেও ১০টি সিট দিতে হবে। হয়তো জামায়াতকে সেই সুযোগ দেবে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, তখন বুঝা যাবে। তবে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি জোট ছাড়তে সরকার জামায়াতকে টোপ দিতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

১৯৯১ থেকে সমঝোতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন করে আসছে জামায়াত-বিএনপি। মাঝখানে ১৯৯৬ সালে আলাদা নির্বাচন করায়, ভোটে টান পড়েছিল দু’দলেরই। এরপর আর আলাদা হয়নি তারা।

সূত্র : ডিবিসি নিউজ

  • সর্বশেষ