শিরোনাম
◈ বিশ্ববাণিজ্যের কেন্দ্র হচ্ছে এশিয়া, সুযোগ কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ নিম্নচাপে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত ◈ গরিবের মাছ পাঙাশ-তেলাপিয়াও এখন নাগালের বাইরে ◈ ৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে ঢাকা-কুমিল্লা নতুন রেলপথ ◈ সুনামগঞ্জে এসিল্যান্ডের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য, ইউএনওকে দায়ী করার পর ঢাকায় নেওয়া হলো তাঁকে ◈ মক্কায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বিষয়ে যে ৬ প্রশ্নের জবাব চেয়ে সৌদি আরবের কাছে চিঠি বাংলাদেশের ◈ ইউরোপের ডেনিম বাজারে বাংলাদেশের আধিপত্য, ৮ মাসে রপ্তানি কমলেও শীর্ষস্থান অটুট ◈ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হবেন স্পিকার? সংবিধান সংশোধন কমিটিতে প্রস্তাব, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে যে আলোচনা হলো ◈ শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে এবার ৮৮ লাখ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও তারেক রহমানকে লেখা রহস্যময় চিঠিও ◈ ব্যাটিং কোচের পদ থেকে আশরাফুলকে অব‌্যাহ‌তি দি‌লো বি‌সি‌বি

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:১৪ দুপুর
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত জামায়াতের

হ্যাপী আক্তার: রাজনৈকিত দলের নিবন্ধন অথবা নির্বাচনের প্রতীক না থাকলেও ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে মরিয়া জামায়াতে ইসলামী। ২০ দলীয় জোটে সরিক হলেও আগামীতে সকল সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এ নিয়ে দলে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর অনেকটা গোপন সংগঠনে পরিণত হয় জামায়াত। তারপর থেকে বিভিন্ন সময় চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় তারা। এবার টিকে থাকতে ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে চাইছে দলটি।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিশদলীয় জোটের শরীক হলেও জামায়াত এখন শুধু নিজেদের নিয়ে ভাবছে। এরই অংশ হিসেবে সব সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিবন্ধন হারানো দলটি। পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত পঞ্চাশটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছে তারা।

এরই মধ্যে, ঢাকা উত্তর সিটিতে সেলিম উদ্দিন, সিলেটে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও রাজশাহীতে সিদ্দিক হোসাইনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াত। কুমিল্লা, বরিশাল ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনেও প্রার্থী ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, জামায়েত দল জানান দিতে চায় যে তাদেরও প্রার্থী আছে। জামায়েত জানান দিচ্ছে যে তাদেরও হিসেবে নিতে হবে। অন্য কোনো ইসলামী দলের সাথে তুলনা করলে চলবে না। দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়াতেই এ কৌশল নিয়েছে জামায়াত, এমনটিই মনে করছেন তিনি। আগামী নির্বাচনে জামায়েতকে কম করে হলেও ১০টি সিট দিতে হবে। হয়তো জামায়াতকে সেই সুযোগ দেবে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, তখন বুঝা যাবে। তবে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি জোট ছাড়তে সরকার জামায়াতকে টোপ দিতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

১৯৯১ থেকে সমঝোতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন করে আসছে জামায়াত-বিএনপি। মাঝখানে ১৯৯৬ সালে আলাদা নির্বাচন করায়, ভোটে টান পড়েছিল দু’দলেরই। এরপর আর আলাদা হয়নি তারা।

সূত্র : ডিবিসি নিউজ

  • সর্বশেষ