শিরোনাম
◈ দেশের স্বার্থ রক্ষাই আমাদের দায়িত্ব, চীন-মালয়েশিয়া সফরের সব অর্জন জনগণের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস ◈ আমরা সবাই চাই, আমাদের রিলেশন হবে মিউচুয়াল রেসপেক্ট এবং ইকুইটির ভিত্তিতে: মির্জা ফখরুল ◈ জাতীয় পরিচয়পত্র ১৫ বছর পূর্ণ হলেই নবায়ন বাধ্যতামূলক করতে ভাবছে নির্বাচন কমিশন! (ভিডিও) ◈ ক্রীড়াবিদদের সুযোগ দিলে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বাড়বে: সেনাপ্রধান ◈ হরমুজ প্রণালী‌তেকার্গো জাহাজে ইরানের হামলার পর পাল্টা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ◈ ধর্মীয় কার‌ণে মুসলিম ফুটবলারদের জন্য বিশ্বকা‌পে ম্যাচ সেরার আলাদা পুরস্কার   ◈ রাজধানীজুড়ে কালিমাখচিত সাদা পতাকা, কারা লাগাচ্ছে জানে না পুলিশ, উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্তে প্রশাসন ◈ লিও‌নেল মে‌সি ইতিহাসের সেরা: নেদারল‌্যান্ডস তারকা ডি ইয়ং ◈ ক্ষুধার সমস্যা সমাধানে আমেরিকার নিজেরই সাহায্যের প্রয়োজন: ইরান পররাস্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:১৪ দুপুর
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০১৮, ১০:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত জামায়াতের

হ্যাপী আক্তার: রাজনৈকিত দলের নিবন্ধন অথবা নির্বাচনের প্রতীক না থাকলেও ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে মরিয়া জামায়াতে ইসলামী। ২০ দলীয় জোটে সরিক হলেও আগামীতে সকল সিটি নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এ নিয়ে দলে তৈরি হয়েছে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর অনেকটা গোপন সংগঠনে পরিণত হয় জামায়াত। তারপর থেকে বিভিন্ন সময় চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় তারা। এবার টিকে থাকতে ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে চাইছে দলটি।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিশদলীয় জোটের শরীক হলেও জামায়াত এখন শুধু নিজেদের নিয়ে ভাবছে। এরই অংশ হিসেবে সব সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিবন্ধন হারানো দলটি। পাশাপাশি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত পঞ্চাশটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছে তারা।

এরই মধ্যে, ঢাকা উত্তর সিটিতে সেলিম উদ্দিন, সিলেটে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও রাজশাহীতে সিদ্দিক হোসাইনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াত। কুমিল্লা, বরিশাল ও গাজীপুর সিটি নির্বাচনেও প্রার্থী ঘোষণা প্রক্রিয়াধীন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, জামায়েত দল জানান দিতে চায় যে তাদেরও প্রার্থী আছে। জামায়েত জানান দিচ্ছে যে তাদেরও হিসেবে নিতে হবে। অন্য কোনো ইসলামী দলের সাথে তুলনা করলে চলবে না। দর কষাকষির ক্ষমতা বাড়াতেই এ কৌশল নিয়েছে জামায়াত, এমনটিই মনে করছেন তিনি। আগামী নির্বাচনে জামায়েতকে কম করে হলেও ১০টি সিট দিতে হবে। হয়তো জামায়াতকে সেই সুযোগ দেবে। নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসবে, তখন বুঝা যাবে। তবে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি জোট ছাড়তে সরকার জামায়াতকে টোপ দিতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

১৯৯১ থেকে সমঝোতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন করে আসছে জামায়াত-বিএনপি। মাঝখানে ১৯৯৬ সালে আলাদা নির্বাচন করায়, ভোটে টান পড়েছিল দু’দলেরই। এরপর আর আলাদা হয়নি তারা।

সূত্র : ডিবিসি নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়