শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:৫০ সকাল
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৬:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘সবাই চাইলেও না হওয়ার কারণটা আমাদের বুঝতে দেওয়া হয় না : ড. সা’দত হুসেইন

খন্দকার আলমগীর হোসাইন : লিডারশিপ বানাতে নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাইয়ে তখন ছাত্রদের ডিমান্ড থাকে। নির্বাচন হওয়া উচিত ছিল, এটা কোর্ট কাছারিতে যেতে হবে, এইটা তো ঠিক না। ইউনিভার্সিটির সেন্ট্রাল স্টুডেন্ট ইউনিয়ন নির্বাচন করতে হবে, এতে হাইকোর্টে রায় দিতে হবে কেন? এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার। আমি কয়েকটা জিনিস বলেছিলাম যেগুলোর বিপক্ষে কেউ কথা বলে না। এর পেছনে একটা কারণ আছে, যেটা আমাদের বলা হয় না বা আমাদের বুঝতে দেয়া হয় না। আর আমাদের সময় হলের তো বাজেট পেশ করা হতো, ব্যাপারটা ছিল পার্লামেন্টের মতো। সাংঘাতিকভাবে প্রশ্ন-উত্তর দিতে হতো। এটা এতদিন হয়নি, তা অত্যন্ত দুঃখজনক । কোর্ট যদি এটা আমলে নিয়ে থাকে তাহলে দেশের নেতৃত্বের ব্যাপারে বিরাট উপকার হবে। যারা এখন মন্ত্রী পর্যায়ে আছে তারা তো এক সময় ছাত্র নেতা ছিল। এক সময়ের তুখোড় ছাত্রনেতা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. সা’দত হুসেইন ডাকসুর নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আমাদের অর্থনীতিকে এই সব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, অনেকগুলো বিষয় আছে, যেটাতে কেউ কখনো দ্বিমত করে না। যার-ই মতামত নিবেন, সে-ই বলে এই নির্বাচন হওয়া উচিত। ছাত্রদের নৈতিক উন্নয়নের জন্য দরকার ঢাকসু নির্বাচন। হলের নির্বাচন এবং ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ ছাত্র, যারা ইচ্ছুক তারা চায় যে তারা পপুলার হোক, তাদের সবাই চিনুক জানুক তাদের গুডউইল থাকুক। যখন এইগুলো চলে যায়, তখন বাধা-বন্ধনহীন বা নৈতিক সীমাবদ্ধতা এইগুলো কিছু থাকে না। যে ছাত্র নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে, তখন তাকে প্রচুর পড়াশুনা করতে হয়। পড়াশনা না করলে তো সে বক্তৃতা দিতে পারবে না। তখন এইগুলোর মাধ্যমে তার যে উচ্চতর জ্ঞান বুদ্ধিদীপ্ত সে যে আচরণ প্রশ্ন-উত্তর এইগুলো শিখে।

ডাকসু নির্বাচনের গুত্বত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, ছাত্র নির্বাচন করতে হলে ভালো ছাত্র হতে হবে। ভালো বক্তব্য দিতে হবে। ভালো কবিতা আবৃত্তি করতে হবে। সে যুগের ডাকসু দেখো, যারা ডাকসুতে ছিল তারা বাংলাদেশে লিডারশিপে কত উপরে। যেমন রাশেদ খান মেনন, মতিয়া চৌধুরী, আ স ম রব, আবদুল মান্নান, সুলতান মুনসুর, আকতারুজ্জামান, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। আমি তো দেখি যারা ছাত্র সংসদে ছিল তারাই পরবর্তীকালে বড় লিডারশিপে এসেছে। তারা কোথায় থেকে এসেছে? তারা তো ওই ছাত্র রাজনীাত থেকেই আসছে। ছাত্র রাজনীতি থেকে যারা আসছে তাদের মধ্য কোয়ালিটি ডেভেলপ করার একটা আগ্রহ থাকে। তাদের মধ্য উপস্থাপন করার একটা চেষ্টা থাকে। তারা ভালোভাবে চলতে চেষ্টা করে। ছাত্ররা দেখে শুনেই তো ্এমন লোককেই বাছাই করে, যে ভবিষতে বাংলাদেশের লিডারশিপ দিবে। সে রকম লোকজনকেই তো ছাত্ররা সিলেক্ট করে।

  • সর্বশেষ