শিরোনাম
◈ ৭৫ বছর পর সৌদিতে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, ছয় মিনিট ঢেকে থাকবে সূর্য ◈ ইনফা‌ন্তি‌নোর উদ্দে‌শ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ভুল ব্যক্তি ফিফার নেতৃত্ব দিচ্ছে, অবিলম্বে তার পদত্যাগ করা উচিত ◈ ভারতে পাচারের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও টিএফআই সেল এ রাখা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর (ভিডিও) ◈ রাশেদ খাঁনকে দুইবার কল দিয়ে নাসীরুদ্দীন বললেন ‘সব ফাঁস করে দেবো’ ◈ রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে মিললো ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু (ভিডিও) ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত ◈ প্রধানমন্ত্রীর স‌ঙ্গে সাক্ষাত শে‌ষে যুক্তরা‌স্ট্রের বি‌শেষ দূত বল‌লেন, শিগগিরই বাংলাদেশ সফর করবেন মার্কিন বিনিয়োগকারীরা ◈ সৌদি আর‌বের প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার অর্থ কী? ◈ গালিগালাজ কোনো সমস্যার সমাধান নয়, যারা আমাকে গালি দিয়েছে, তাদের ক্ষমা করে দিলাম: ভিডিও বার্তায় মোদি ◈ উড়ন্ত বিমানের ডানায় জ্যান্ত সাপ! ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত : ১৬ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৫:১০ সকাল
আপডেট : ১৬ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৫:১০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গুচ্ছ পদ্ধতির ভালো-মন্দ দুটোই আছে : অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী

আশিক রহমান : গুচ্ছ পদ্ধতির ভালো-মন্দ দুটোই আছে। সুবিধা-অসুবিধা আছে। সুবিধা হচ্ছেÑ শিক্ষার্থীরা একবার পরীক্ষা দিয়ে অনেক হয়রানি থেকে বেঁচে যাবে। ৩৬টি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে একটা বা দুটো পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হয় তাহলে তাদের খরচ কম হবে। হয়রানি থেকে বেঁচে যেত। যে ট্র্যাভেল করতে হয়, তা থেকে বাঁচবে।

আমাদের অর্থনীতির সঙ্গে আলাপকালে ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী আরও বলেন, প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়েরই একটি সেট স্যান্ডার্ড আছে, সেই স্ট্যান্ডার্ড কিন্তু ইউনিফরম নয়। যেমন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিগুলো মেথ অ্যান্ড ফিজিক্স-এর উপর খুব বেশি জোর দেয়। আবার জেনারেল সায়েন্সে মেথ, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, বায়োলজি সব বিষয়ের উপরই জোর দেয়। আর্স-এ সাবজেক্ট ওয়াইজ অ্যাবিলিটি, স্কিলড দরকার হয়। এগুলো হয়তো গুচ্ছ পদ্ধতিতে ৫-৭ পরীক্ষা নিয়ে এটা ওভারকাম করা যেতে পারে। কিন্তু যেটা করা যাবে না তা হচ্ছে একেকটি ইউনিভার্সিটি রিকয়ারমেন্ট অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড ধরে রাখা। ৩৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ঐতিহ্য আছে, ধারাবাহিকতা আছে গুচ্ছ পদ্ধতি করে তা কতটুকু ধরে বাস্তবায়ন সম্ভব তা জানি না। কারণ বাল্ক করতে গেলে কোয়ালি সাফার করে। আমি যদি বাল্ক করি তাহলে কোয়ালিটি সাফার করবে।

ড. এ কে আজাদ বলেন, বিশ্বের সব বিশ্ববিদ্যালয়ই নিজস্ব পদ্ধতিতেই ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সহজ করার জন্য। সহজ হয়তো হবে, কিন্তু কোয়ালিটি যে সাফার করবে না এটা জোর দিয়ে বলা যাবে না। তবে এ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে গেলে স্বায়ত্বশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপর কিছুটা হস্তক্ষেপ তো হবেই। কারণ তাদের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য, স্বায়ত্বশাসন, পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশ ও ভর্তি করার এখতিয়ার।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্বশাসন তাদের রক্ষাকবচ। অনেকেই তা কার্টেল করতে চায়, কিন্তু এর পক্ষে আমি নই। কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্বশাসনের জন্য আমিও আন্দোলন করেছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়