শিরোনাম
◈ মার্কিন পাইলটের মৃত্যু, ইউনাইটেড হাসপাতালের অবহেলাকে দায়ী করেছেন বোন  ◈ ২ ফেব্রুয়ারি দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  ◈ দৈনিক সমকাল পত্রিকার বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলে ঢাকা ওয়াসার মামলা ◈ সরকার ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু করেনি, করবেও না: শিক্ষামন্ত্রী ◈ পেশোয়ারের মসজিদে শক্তিশালী বিস্ফোরণে নিহত ২৮, আহত ১৫০ ◈ জমজমের পানি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ ভোক্তা অধিদপ্তরের ◈ ডান্ডাবেড়ি পরানো নিয়ে নীতিমালা প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল ◈ চৌগাছার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার কারাদণ্ড ◈ অনির্বাচিত লোক দিয়ে কখনো দেশের উন্নতি হয় না:  প্রধানমন্ত্রী   ◈ ১১ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০২ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৭:০৪ সকাল
আপডেট : ০২ ডিসেম্বর, ২০২২, ০২:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজনৈতিক দলগুলোই বিদেশিদের কথা বলার সুযোগ করে দিচ্ছে 

তরিকুল ইসলাম : সরকারবিরোধী দল সব সময়ই বিভিন্ন ইস্যু তুলে ধরতে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে। ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে অংশিদারিত্বমূলক কার্যক্রম ও সংকটে সংলাপের পরিবেশ না থাকায় অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে বিদেশিদের কথা বলার সুযোগ করে দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো। যার ফলে চলমান সংকট দূর না হলেও কূটনীতিকদের সরব হওয়াটা অনেকটাই রুটিন ওয়ার্কে পরিণত হয়ে যায় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এবারও জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তৎপর হয়ে উঠেছেন বিদেশি কূটনীতিকরা। কূটনীতিকদের অযাচিত হস্তক্ষেপের জন্য দেশের রাজনৈতিক দুর্বলতাকেই দায়ি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেন বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংকট নিয়ে যখনই কূটনীতিকরা কথা বলেছেন, সেটি সরকার ছাড়া বিরোধীপক্ষ সব সময়ই সমর্থন করেছে। এই ধারাটা কিন্ত হঠাৎ করেই হয়নি, প্রায় তিন যুগ ধরেই এমনটি হচ্ছে।

১৯৯১ সালের পরে রাজনৈতিক সংকট দেখা দিলে শুরু হয় বিদেশিদের নাক গলানোর সুযোগ। আর তাতে সায় ছিলো ক্ষমতার বাইরে রাজনৈতিক দলগুলোর। তবে সরকারে থাকা দলগুলো কখনোই কূটনীতিকদের এই কথা বলা পছন্দ করেনি।

তারাই আবার যখন বিরোধী দলে থাকে তখন কূটনীতিকদের বক্তব্যে সমর্থন করে। এভাবে চলতে থাকলে বিদেশিদের কথা বলা থেকে বিরত রাখা যাবে না।


তিনি বলেন, ২০০৬ সালের শেষ দিকে এবং ২০০৭ সালের প্রথম দিকে ঢাকায় নিযুক্ত পশ্চিমা দেশের কিছু কূটনৈতিক ছিলেন বেশ তৎপর ছিলেন। আমি মনে করি, স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সুস্থ নির্বাচন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা পেলে তখন হয়তো এই ইস্যুগুলোতে বিদেশিদের কথা বলার সুযোগ থাকবে না।

ভারতে কখনোই বিদেশিরা এ সুযোগ পায় না। কারণ সেখানে নির্বাচন ব্যবস্থা শক্তিশালী। এমনকি পৃথিবীর অনেক দেশেই বিদেশিরা এসব বিষয়ে নাক গলাতে পারে না।

গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের মতো ইস্যুগুলোতে সুযোগ থাকলে কথা সবাই বলবে। বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা শিষ্টাচার ও নিয়ম মেনে  চলবেন, এমনটাই প্রত্যাশা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, শক্তিশালী দেশ কূটনীতিকদের এসব পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সহজেই ব্যবস্থা নিতে পারে।

তবে আমাদের সেই শক্তি কিংবা সামর্থ্য নেই, তাই আমরা এ পদক্ষেপ নেইনি। তবে সময় হলে আমরাও পদক্ষেপ নেব। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো বাংলাদেশের অনেকেই কূটনীতিকদের কাছে যান, অভ্যন্তরীণ প্রশ্ন করেন।

আমার মনে হয়, এখনো আমাদের দেশের অনেকেরই নিজের দেশ সম্পর্কে সম্মানবোধের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। এই কালচার পরিবর্তন করা প্রয়োজন। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

এএইচ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়