শিরোনাম
◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন ◈ বাজেটের আকারে এগোচ্ছে বাংলাদেশ, ছাড়িয়ে গেছে কয়েকটি ধনী দেশকে ◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০১:৪৫ রাত
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০১:৪৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘বাংলা’ শব্দটি পুরোপুরি বাংলা নয়, ফার্সি থেকে নেওয়া

কুলদা রায়

কুলদা রায়: বিদায় শব্দটা আরবি শব্দ। এটা জেনে রবীন্দ্রনাথ অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। বাবা শব্দটি কি বাংলা? মোটেই না। বাবা শব্দটাও আরবি। আদিতে তুর্কি ‘বাবাম’ শব্দ থেকে আরবরা ‘বাবা’ শব্দ গড়ে নিয়েছিল। বই শব্দটি কী? এটাও আরবি। আবার কিতাবও আরবি। যেমন ভাত আর অন্ন। সমার্থক শব্দ। পানি শব্দটি কি আরবি? না, এটা সংস্কৃতজাত। হিন্দিতে জলকে পানি বলে। পানি কোনোভাবেই বাংলা শব্দ নয়। আমি ভাই জলও খাই। পানিও খাই। বাড়ির বাইরে এখন ওয়াটার খেতে হয়। 

স্কুলে দুবার জলপানি পেয়েছিলাম। তা দিয়ে নানাকিছু কিনে খেয়েছি। আমার ভাই কখনোই সমস্যা হয়নি। বাবু শব্দটি ফার্সি। বাবু শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ হলো ‘বু’ মানে গন্ধ। ‘বা’মানে সহিত। বাবু মানে গন্ধের সহিত। অর্থাৎ যে গন্ধ মাখে সে-ই হচ্ছে বাবু। কলকাতায় এক সময় জমিদার ধনী লোকজন গায়ে গন্ধ বা পারফিউম মেখে চলত বলে তাদের বাবু বলা হতো। তৃতীয় দিদিকে বলা হয় সেজদিদি। সেই সেজ শব্দটি ফার্সি। ‘বাংলা’ নামের শব্দটিও পুরোপুরি বাংলা নয়। ফার্সি থেকে নেওয়া। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়