শিরোনাম
◈ ভারতের ওপর নির্ভরতায় হুমকির মুখে বাংলাদেশের ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব ◈ সেপ্টেম্বরে বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ! ◈ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে সরকারের বিশেষ প্রণোদনা, ২০২৭ সালের মধ্যে স্থাপনে মিলবে সুবিধা ◈ ৪২ বছর পর নতুন বেসামরিক বিমান চলাচল বিধিমালা, বিনিয়োগ ও যাত্রীসেবায় জোর ◈ সম্পদের বিবরণ প্রকাশের শর্তে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আহ্বান টিআইবির ◈ দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার ◈ সেপ্টেম্বরে বাড়তে পারে গরম, সাগরে লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপের শঙ্কা ◈ মোটরসাইকেলসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ ◈ চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ক্যান্টিন বয় কারাগারে ◈ তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি: শিগগিরই বৈঠকের আশাবাদ, বোয়িং কেনায় ধন্যবাদ

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৭:৫৩ বিকাল
আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৭:৫৩ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একটি শক্তিকে ক্ষমতায় বসাতে আগাচ্ছে সিপিডি: কৃষিমন্ত্রী

আব্দুর রাজ্জাক

আনিস তপন: একটি রাজনৈতিক শক্তিকে ক্ষমতায় বসাতে সিপিডি রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে আগাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক। এর মূল্য সিপিডিকে দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। 

সোমবার সচিবালয়ে কৃষিপণ্য রপ্তানি নিয়ে এক সভার শুরুতে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। দুর্নীতির কারণে দেশের উন্নয়ন ৬০ ভাগ ব্যাহত হয়েছে বলে সিপিডি যে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাতেও একমত নন কৃষিমন্ত্রী।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সিপিডি বলেছে দুর্নীতির কারণে দেশের উন্নয়ন ৬০ ভাগ ব্যাহত হয়েছে। এটাতো ব্যাখ্যা করার ব্যাপার, বিশ্লেষণ করার ব্যাপার। তাদের অর্থনীতিবিদরা বলছেন, আমরাও তো বলেছি। সিপিডির কাছে কী তথ্য আছে যে ২১৯ ডলারের পটাশিয়াম সরকার বারো শ ডলারে কিনেছে? বারো শ ডলারে কিনেছে বলেই বাংলাদেশের উৎপাদন কমেনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন,সিপিডি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে এ ধরনের অনেক গবেষণা করে। সিপিডি একটি রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে আগাচ্ছে এবং একটি রাজনৈতিক শক্তিকে তারা ক্ষমতায় আনতে চাচ্ছে। তারা সিডিপির অংশীদার। গবেষণার কী পদ্ধতি ছিল, কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করেছে সেটি আমাদের দেখতে হবে। তারা কোনো ধোয়া তুলসী পাতা না, নিরপেক্ষ না। সিপিডি অবশ্যই রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এর মূল্য সিপিডিকে এদেশে দিতে হবে। জনগণ কাউকে ক্ষমা করবে না।'

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি উধাও হয়ে গেছে, সবকিছু একদম দুধের মতো স্বচ্ছ হয়েছে এটি আমরা কোনোদিনই দাবি করিনি। আন্ডার ডেভেলপ কান্ট্রিতে কমবেশি দুর্নীতি হবেই। বেকারত্ব অনেক বেশি, দারিদ্র্য অনেক বেশি। দুর্নীতি পৃথিবীর সব দেশে আছে, আমেরিকাতেও দুর্নীতি আছে। কিন্তু আমরা যে প্রবৃদ্ধিটাকে ধরে রেখেছি এটি আপনারা কিভাবে দেখবেন? এটি কী করে হলো? এটি কি আমরা যাদুবলে বানিয়ে দিয়েছি? সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

এটি/কেএ/এএ

  • সর্বশেষ