শিরোনাম
◈ ৬ দিনে ৮ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা আটকে, চট্টগ্রাম বন্দর সচল হবে শুক্রবার থেকে ◈ চার দিনে দেশে এলো ৬১৭৩ কোটি টাকার প্রবাসী আয় ◈ নির্বাচনে নিরপেক্ষ আচরণের নির্দেশ সেনা প্রধানের, মত বিনিময়ে উঠে এসেছে দুটি উদ্দেশ্যের কথা ◈ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ◈ ফাইল ঝুলে থাকবে না, প্রশিক্ষণ হবে বাস্তবসম্মত: প্রধান উপদেষ্টা ◈ সাদিক কায়েমের বক্তব্য চলাকালে মঞ্চে উঠে তরুণীর অদ্ভত কান্ড! (ভিডিও) ◈ বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবেন তারেক রহমান ◈ শুক্রবার যুব বিশ্বকা‌পের ফাইনা‌লে মু‌খোমু‌খি ভারত ও ইংল্যান্ড ◈ বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান ও পা‌কিস্তা‌নের সমর্থনে আ‌মি মুগ্ধ: নাসের হুসেইন ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৬ অধ্যাদেশ, ১৪ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি

প্রকাশিত : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২২, ০২:০৩ রাত
আপডেট : ০৮ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:৫৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বরিশাল, পটুয়াখালী ও কুমিল্লা মুক্তদিবস

ফাইল ছবি

সালেহ্ বিপ্লব: আজ ৮ ডিসেম্বর। বরিশাল, পটুয়াখালী ও কুমিল্লা মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে এ তিন জেলা মুক্ত হয়েছিল। 

১৯৭১-এর ১৭ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী আকাশ পথে বরিশাল ও পটুয়াখালীতে হামলা চালায়। দ্বিতীয় দফা হামলা চালায় ২৭ এপ্রিল জল, স্থল ও আকাশপথে। এর আগেই সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল স্বাধীন বাংলা সরকারের অস্থায়ী সচিবালয়। ৮ ডিসেম্বর দুপুরে পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তারা গানবোট, লঞ্চ, স্টিমারে বরিশাল থেকে গোপনে পালিয়ে যায়। তবে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের গোপনে পালানোর খবরটি জানাজানি হয়ে যায়। ভারতীয় বিমানবাহিনী দুপুর ২টায় বরিশালে হামলা চালায়। পাকিস্তানি দখলদারদের পালিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে বিকেল ৩টায় বরিশালের অদূরে অবস্থানরত সুলতান মাস্টার ও আবদুল মান্নানের নেতৃত্বাধীন মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল প্রবেশ করে শহরের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

১৯৭১ সালের ৩ মে পিরোজপুরে প্রথম পাক বাহিনী প্রবেশ করে। পিরোজপুরকে হানাদার মুক্ত করতে সুন্দরবনের সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল ৭ ডিসেম্বর রাত ১০টায় পিরোজপুরের দক্ষিণপ্রান্ত পাড়েরহাট বন্দর দিয়ে শহরে প্রবেশ করতে থাকে। মুক্তিবাহিনীর এ আগমনের খবর পেয়ে পাক হায়নারা শহরের পূর্বদিকের কচা নদী দিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে পালিয়ে যায়। অবশেষে ৮ ডিসেম্বর পিরোজপুর ছেড়ে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। 

১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী কুমিল্লা বিমানবন্দরে পাক বাহিনীর ২২ বেলুচ রেজিমেন্টের প্রধান ঘাঁটিতে আক্রমণ শুরু করে। মিত্রবাহিনীর ১১ গুর্খা রেজিমেন্টের আর কে মজুমদারের নেতৃত্বে কুমিল্লা বিমানবন্দরের তিনদিক থেকে আক্রমণ চালানো হয়। রাতভর পাকবাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে ২৬ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। কতিপয় পাকিস্তানি সেনা বিমানবন্দরের ঘাঁটি ত্যাগ করে শেষ রাতে কুমিল্লার বরুড়ার দিকে ও ময়নামতি সেনা ছাউনিতে ফিরে যায় এবং কয়েকজন আত্মসমর্পণ করে। একপর্যায়ে পাকসেনাদের বিমানবন্দরের প্রধান ঘাঁটি দখল করে মুক্তিসেনারা। এভাবেই একাত্তরের ৮ ডিসেম্বর ভোরে কুমিল্লা হানাদার মুক্ত হয়। এ দিন বিনা যুদ্ধে হানাদারমুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ও সরাইল উপজেলা।

সম্পাদনা: খালিদ আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়