শিরোনাম
◈ পাহাড়ি আম-আনারসসহ কৃষিপণ্য রপ্তানিতে বড় সম্ভাবনা, চাঁদাবাজি বন্ধে গুরুত্ব সরকারের ◈ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ-ঢাকা রুটের ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ◈ ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত ◈ দিল্লি পুলিশের হেফাজত থেকে মুক্ত কেজরিওয়াল-মমতা, আটককে ‘অপহরণ’ বললেন তৃণমূল নেত্রী ◈ সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত বহু যাত্রী; বাতিল বহু ফ্লাইট ◈ আবুধাবি টেস্ট, বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে লড়‌ছে আফগা‌নিস্তান, এখ‌নো ১৩৫ রানে পিছিয়ে ◈ যুক্তরাষ্ট্রে পেনসিলভানিয়ায় বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলি, শিশুসহ নিহত ৯ ◈ ফেসবুকে পরিচয় কে এই রাজু, ১৭ দিনের সম্পর্কের পর কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে কী ঘটেছিল স্কুলছাত্রীর সঙ্গে ◈ চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তি: বাংলাদেশের লাভ কতটা, ঝুঁকি কোথায়? ◈ কোনো দেশের মুখাপেক্ষী নয়, সমমর্যাদার অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২২, ০৬:০০ বিকাল
আপডেট : ১৪ আগস্ট, ২০২২, ০৯:৩৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিতে চায় জাতিসংঘ

এম এম লিংকন: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ। এ বিষয়ে জাতিসংঘকে প্রস্তাব পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। রোববার (১৪ আগস্ট) ঢাকা সফররত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা দুই পক্ষই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে জোর দিয়েছি। আমরা বলেছি, আপনারা একটা প্রস্তাব পাঠান। অবশ্যই আমরা সেই প্রস্তাব দেখব। 

বৈঠকে কি কি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, ফ্রিডম অব প্রেস এবং ফ্রিডম অব স্পিস নিয়ে। ট্রেনিংয়ের ব্যাপারেও আলাপ হয়েছে। এছাড়া অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কারাবন্দী লেখক মুশতাক আহমেদ মৃত্যুর প্রসঙ্গ আলোচনায় এসেছে উল্লেখ করে আনিসুল হক বলেন, আলাপ হয়েছে মুশতাকের মৃত্যু সম্পর্কে। তার প্রশ্নের পর আমি মুশতাকের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পড়ে শুনিয়েছি। তারপরে তিনি আর প্রশ্ন করেননি।  

আইনমন্ত্রী বলেন, সবশেষে আমি যেটা শক্তভাবে তুলে ধরেছি সেটা হলো, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মানবাধিকারকে সাংঘাতিক মূল্য দেয় বাংলাদেশ। তার কারণ হচ্ছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের একজন ভিকটিম হচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ মানবাধিকার বিষয়ে সবসময়, বিশেষ করে শেখ হাসিনার সরকার মানবাধিকারকে সবসময় সমুন্নত রাখবে এবং আইন দ্বারা যেকোনো ভায়োলেশন বন্ধ করা যায়, সেই ব্যাপারে সক্রিয় থাকবে।

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কি না, জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, কোনো উদ্বেগ ছিল না, এটা আলোচনার মধ্যে এসেছে।

বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে জাতিসংঘের অবজার্ভেশন কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা ব্যাচেলেট বলবেন, আমি বলব না।

  • সর্বশেষ