শিরোনাম
◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত ◈ ভারতের আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০টির বেশি মসজিদ ◈ ১৪৮ দিন পর জয়ের দেখা, স্বস্তিতে টটেনহ্যাম ◈ সব ধর্মের মানুষের ঐক্যে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ অতিরিক্ত উৎপাদনে আলুর দরপতন, কেজিতে ১৪ টাকা পর্যন্ত লোকসানে কৃষক ◈ মব থামছে না, দিন‌কে দিন রাজ‌নৈ‌তিক চেহারা পা‌চ্ছে, নেপথ্যে কী?

প্রকাশিত : ২৫ জুলাই, ২০২৪, ০২:৩৪ রাত
আপডেট : ১১ মে, ২০২৫, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুর্বৃত্তদের আগুন ও ভাঙচুরে বিটিভির ক্ষয়ক্ষতি ২০০ কোটি টাকা: মহাপরিচালক  

সুজন কৈরী: [২] বাংলাদেশ টেলিভিশনে হামলা ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে, জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক (ডিজি) ড. জাহাঙ্গীর আলম। 

[৩] তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা যায়নি। তবে আমরা ধারণা করছি কমপক্ষে ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। দুর্বৃত্তরা বিটিভির কেন্দ্রে আগুন দিয়েছে, ক্যামেরাসহ অনেক কিছুই পুড়িয়ে দিয়েছে। অনেক যন্ত্রপাতি লুটপাটও করেছে। নির্দিষ্ট করে ক্ষতির পরিমাণ বের করতে হলে আমাকে তালিকা করতে হবে।

[৪] তিনি বলেন, আমাদের ১৭টি গাড়ি পুড়িয়েছে, ৯টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে, দুটি সম্প্রচার ভ্যান পুড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়াও আগুনে বিল্ডিংয়ের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবমিলিয়ে ভয়াবহ একটা হামলা ও অগ্নিকাণ্ড বিটিভিতে হয়েছে, যেই পরিস্থিতি আমাদের পক্ষে তুলে ধরাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

[৫] জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা সম্প্রচার কার্যক্রম আবারও শুরু করেছি। আগুনের পরদিনই আমরা সম্প্রচার পুনরুদ্ধার করেছি। 

[৬] দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের তদন্ত কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

[৭] গত ১৮ জুলাই রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ওইদিন বিকেল পৌনে ৩টায় আগুনের সূত্রপাত হলেও রাত ৯টায়ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ফলে ৬ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আগুনে পুড়ে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয় টেলিভিশন ভবন। 

[৮] বুধবার বাংলাদেশ টেলিভিশন চত্বর ঘুরে দেখা গেছে, টেলিভিশনের ভেতরে-বাইরে সর্বত্র সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর শতাধিক সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। 

[৯] নিরাপত্তার স্বার্থে বিটিভি ভবনের গেটের সামনে কাউকে অবস্থান বা চলাফেরা করতে দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব