শিরোনাম
◈ খাল খননের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, আসছে ‘মডেল খাল’ কর্মসূচি ◈ মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের অবহেলা নয়, সম্মান ও সহমর্মিতা দেখাতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ মানব পাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ : মার্কিন প্রতিবেদন ◈ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাইকেল চালিয়ে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ রেলের টিকিট কালোবাজারি ও পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন ◈ ম‌্যা‌ডিসন ১০ বছর পর মা‌ঠে ফিরে লজ্জার রেকর্ড কর‌লেন ◈ চাঁদা না পেয়ে ট্রাক এনে লুটপাট, সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? ◈ অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম, একাদশের সবার বয়স ৩০ বছ‌রের উপ‌রে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার সাম‌নে দিশাহারা বাংলা‌দেশ, নারী দল হার‌লো ৭ উইকেটে

প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:২২ রাত
আপডেট : ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৯:২৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশিসহ প্রবাসী শ্রমিকদের সুখবর দিল মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার স্থানীয় শ্রমিকদের পাশাপাশি সব বিদেশি শ্রমিকদের মাসিক মজুরি বর্তমান ১,৭০০ রিঙ্গিত থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ রিঙ্গিত করার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার। খবর মালয়েশিয়া মাদানি

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সংসদে দেশের ২০২৭ সালের বাজেট পেশ করার সময় এই বৃদ্ধির ঘোষণা দেন।

যেটি কার্যকর হবে ২০২৭ সালের জুন থেকে। তিনি বলেন, নতুন এই হারের ফলে চল্লিশ লাখেরও বেশি কর্মী উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার ন্যূনতম মজুরির নিয়ম বিদেশি কর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বাংলাদেশ, নেপাল ইন্দোনেশিয়া এবং অন্যান্য দেশের কর্মীরা মালয়েশিয়ার কর্মীদের মতোই একই আইনসম্মত ন্যূনতম মূল মজুরি পাওয়ার অধিকারী।

Advertisement

মালয়েশিয়া ২০১৩ সালে তার ন্যূনতম মজুরি নীতি চালু করে, যেখানে মাসিক মজুরি ৯০০ রিঙ্গিত নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে তা বেড়ে ১,০০০ রিঙ্গিত, ২০১৯ সালে ১,১০০, ২০২০ সালে ১,২০০, ২০২২ সালে ১,৫০০ এবং ২০২৫ সালে ১,৭০০ হয়। সর্বশেষ এই বৃদ্ধির ফলে ন্যূনতম মজুরি তার মূল হারের দ্বিগুণেরও বেশি হবে।

আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা করেছেন যে, বার্ষিক টার্নওভার ৫০ মিলিয়ন রিঙ্গিতের কম এমন ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি আকারের শিল্পোদ্যোগগুলো নতুন এই শর্ত থেকে অব্যাহতি পাবে।

এই অব্যাহতির উদ্দেশ্য হলো ছোট ব্যবসাগুলোকে তাদের ব্যবসায়িক মডেল সমন্বয় করার জন্য সময় দেওয়া।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা ও তাদের মজুরির মধ্যকার ব্যবধান আমাদের কমাতে হবে। ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির সঙ্গে আয় তাল মেলাতে ব্যর্থ হওয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয়ভার বেড়েছে। দেশের মজুরি কাঠামো উন্নত করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সরকার আধা-দক্ষ কর্মী এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতকদের জন্য ন্যূনতম মাসিক বেতন ২,৫০০ রিঙ্গিত নির্ধারণ করার পরিকল্পনাও করছে।

আনোয়ার বলেন, ন্যূনতম মজুরি শ্রমিকদের আয়ের কেবল একটি সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করে।

দক্ষ শ্রমিকদের এখনো তাদের যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে না। সরকার অনিবন্ধিত বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ রোধ করতে কর বিধিমালা কঠোর করারও পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ব্যবস্থা অনুযায়ী, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্যান্য সংস্থাগুলোকে মজুরি ব্যয়ের ওপর কর ছাড়ের যোগ্যতা অর্জনের জন্য কর্মসংস্থান আইনে অনুমোদিত পদ্ধতি ব্যবহার করে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মজুরি পরিশোধ করতে হবে।

মালয়েশিয়ায় বিপুল সংখ্যক নেপালি শ্রমিক কর্মরত আছেন। আশা করা হচ্ছে, এই বৃদ্ধির ফলে ন্যূনতম মজুরি নীতির আওতাভুক্ত নেপালি এবং অন্যান্য বিদেশি শ্রমিকদের আয় বাড়বে। তবে, ২০২৭ সালের জুনে এটি কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ছাড়ের কারণে সব শ্রমিক তাৎক্ষণিকভাবে এর সুবিধা পাবেন না।

সূত্র: কালের কণ্ঠ 

  • সর্বশেষ