শিরোনাম
◈ জরুরি যেসব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে অনুমতি দিল ইরান ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথম বৈঠকে যা চাইলেন ব্যবসায়ীরা ◈ চীনের আক্রমণের ভয়ে তাইওয়ান ছাড়ার পরিকল্পনা করছেন অনেকে ◈ দলীয় নেতাকর্মীদের চাঙা করার চেষ্টা করছে বিএনপি ◈ নারী এশিয়ান কাপে চীনের কাছে ২-০ গো‌লে হারলো বাংলাদেশ ◈ ফুটবল ম্যাচ শুরুর আগেই সমর্থকের রহস্যময় মৃত্যু, আহত ৪৭ ◈ এলাকায় মাইকিং— ‘সাউন্ডবক্স বাজালে কবরস্থানে দাফন করতে দেওয়া হবে না’ (ভিডিও) ◈ কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী ◈ ড. ইউনূসকে মুখ খুলতে হবে, অর্জন ধরে রাখতে সব উপদেষ্টাদের মাঠে নামতে হবে: নাহিদ ইসলাম ◈ জুলাই সনদের সাথে গণভোট বাতিল হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই : আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১১ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৪৬ সকাল
আপডেট : ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিখোঁজ ৬ পারমাণবিক বোমা, শত্রুর হাতে পড়ার শঙ্কা!

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে। বিশেষ করে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘মৃত্যু, খুব ভয়ানক বিপর্যয়’ নেমে আসার হুঁশিয়ারি দেন, তখন পারমাণবিক শক্তি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

এর মধ্যে আলোচনায় এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া ছয়টি পরমাণু ওয়ারহেড। নিখোঁজ এসব পরমাণু ওয়ারহেড যুক্তরাষ্ট্রের শত্রু দেশের হাতে পড়লে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

হারিয়ে যাওয়া পরমাণু ওয়ারহেডগুলো এতটাই শক্তিশালী যে তা মুহুর্তেই একেকটি শহর ধ্বংস করে দিতে পারে। নিহত হতে পারে কয়েক মিলিয়ন মানুষ।

গত কয়েক দশকে অন্তত ছয়টি এমন দুর্ঘটনার ঘটনা রয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র হারিয়ে গেছে। আজও সেগুলোর কোনো হদিস মেলেনি। সেগুলো এখন যেকেউ খুঁজে পেতে পারে।

মার্কিন সামরিক পরিভাষায় এ ধরনের পারমাণবিক দুর্ঘটনাকে বলা হয় ‘ব্রোকেন অ্যারো’। অর্থাৎ এমন ঘটনা, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র দুর্ঘটনায় হারিয়ে যায় বা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান হচ্ছে, তারা যদি এসব নিখোঁজ বোমা খুঁজে না পায়, তাহলে প্রতিপক্ষরাও সহজে তা খুঁজে পাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের নথিভুক্ত ৩২টি ‘ব্রোকেন অ্যারো’ ঘটনার মধ্যে এখনো পর্যন্ত অন্তত ছয়টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের হদিস পাওয়া যায়নি।

এ ধরনের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার একটি ঘটে ১৯৫৮ সালে। ওই বছর টাইবি দ্বীপের কাছে আকাশে দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের সংঘর্ষ হয়। একটি বি-৪৭ স্ট্রাটোজেট বোমারু বিমান তখন একটি সম্পূর্ণ সশস্ত্র মার্ক-১৫ পারমাণবিক বোমা বহন করছিল।

সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাইলট আশঙ্কা করেন, বোমাটি বিস্ফোরিত হতে পারে। ফলে তিনি জরুরি সিদ্ধান্ত নিয়ে জর্জিয়ার উপকূলের কাছে ওয়াসাউ সাউন্ডের পানিতে বোমাটি ফেলে দেন।

প্রায় ৭ হাজার ৬০০ পাউন্ড ওজনের এই মার্ক–১৫ হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ক্ষমতা ছিল প্রায় ৩ দশমিক ৮ মেগাটন। তুলনা করলে দেখা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলায় ব্যবহৃত ফ্যাট ম্যানের চেয়ে এটি প্রায় ১৯০ গুণ বেশি শক্তিশালী ছিল।

দুর্ঘটনার পর বহুবার অনুসন্ধান চালানো হলেও ওই পারমাণবিক বোমাটি আজ পর্যন্ত উদ্ধার করা যায়নি। ফলে এটি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের হারিয়ে যাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র: মিরর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়