শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:২৭ সকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত ঘোষণা করল পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর সামরিক সমর্থিত সরকার সব রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটির মন্ত্রিসভা বৃহস্পতিবার এসংক্রান্ত একটি ডিক্রি অনুমোদন করে। এর ফলে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কার্যক্রম স্থগিত থাকা সব রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হলো। 

সরকারের এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এলো, যখন বুরকিনা ফাসো আল-কায়েদা ও আইএস (আইএসআইএস)-সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিদ্রোহ দমনে হিমশিম খাচ্ছে।

একই সঙ্গে ভিন্নমত দমনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সমালোচনার মুখে রয়েছে দেশটির সামরিক সরকার।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমিল জার্বো বলেন, বহুদিন ধরে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ‘ব্যাপক অপব্যবহার ও অকার্যকারিতা’ চলছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্র পুনর্গঠনের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি পর্যালোচনার বরাতে জার্বো বলেন, রাজনৈতিক দলের অতিরিক্ত সংখ্যা দেশে বিভাজন বাড়িয়েছে এবং সামাজিক সংহতি দুর্বল করেছে।

নতুন ডিক্রি অনুযায়ী, সব রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক গঠনের কার্যক্রম বন্ধ করা হলো এবং তাদের সব সম্পদ রাষ্ট্রের মালিকানায় যাবে।

২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে বুরকিনা ফাসোয় নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ছিল ১০০টির বেশি। ওই নির্বাচনের পর সংসদে ১৫টি দলের প্রতিনিধিত্ব ছিল।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ত্রাওরে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন।

এর আট মাস আগেই আরেকটি সামরিক অভ্যুত্থানে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রোশ মার্ক কাবোরেকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল।

ক্ষমতা নেওয়ার পর সামরিক সরকার সাবেক ঔপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্সের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং নিরাপত্তা সহযোগিতার জন্য রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে।

ভিন্নমত দমনের অংশ হিসেবে ২০২৪ সালে সরকার ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিবিসি, ভয়েস অব আমেরিকা ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো মিডিয়া ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রবেশাধিকার বন্ধের নির্দেশ দেয়।

পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার মধ্যেই বুরকিনা ফাসো প্রতিবেশী মালি ও নাইজারের সঙ্গে জোট বেঁধেছে। এই তিন সামরিক-শাসিত দেশ মিলে ‘অ্যালায়েন্স অব সাহেল স্টেটস (এইএস)’ নামে একটি জোট গঠন করেছে, যার লক্ষ্য অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতা জোরদার করা।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়