শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের নির্দেশে যেসব ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন ◈ ফিলিং স্টেশন-দোকানে ঝুলছে ‘গ্যাস নেই’, চরম বিপাকে গ্রাহকরা ◈ ৬৬টি আন্তর্জা‌তিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট সরে যাওয়ার কারণে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলা‌দেশ ◈ বিক্ষোভ ছড়িয়ে ক্ষমতায় আসতে চান ইরানের যে নির্বাসিত নেতা ◈ আগামী নির্বাচনের ফলাফলে সুইং ভোটাররা 'প্রভাবক' হয়ে উঠতে পারেন ◈ মুক্ত বিশ্বকোষে উইকিপিডিয়া নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে, মুছে ফেলা হচ্ছে জুলাই শহীদদের পেইজ! ◈ রিয়াল মা‌দ্রিদ‌কে হা‌রি‌য়ে আবারও স্প‌্যা‌নিশ সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা ◈ মার্তিনেল্লির হ্যাটট্রিকের রাতে জয় পে‌লো আর্সেনাল ও লিডস ◈ পাবনায় কারাগারে আ.লীগ নেতা প্রলয় চাকীর মৃত্যু ◈ ট্রাম্পকে ইরানের নেতাদের ‘হত্যা’র আহ্বান মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৪, ০১:৪৬ দুপুর
আপডেট : ০৩ এপ্রিল, ২০২৪, ১১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র রাধিকা, যোগ রয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গেও

রাধিকা

বিশ্বজিৎ দত্ত: [২] রাজ্য বিজেপির নতুন মুখপাত্র হয়ে আসছেন মুম্বইয়ের বাসিন্দা রাধিকা। সেই সঙ্গে বাংলার ঐতিহ্যশালী দুই পরিবারের প্রতিনিধি তিনি।

[৩] এক দিকে মুর্শিদাবাদের জমিদার বংশের পরিচয়। অন্য দিকে, জাহাজ ব্যবসায়ীর বনেদিয়ানা।পুরো নাম রাধিকা ভট্টাচার্য শাহ। পেশায় কর্পোরেট জগতের আন্তর্জাতিক বিষয়ের পরামর্শদাতা। কাজ করেছেন জাতীসংঘে। সেই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গ্রামীণ শিক্ষা নিয়ে কাজ করেন নিজস্ব বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মাধ্যমে।

[৪] রাজ্যের অন্যতম মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়ার পরে আনন্দবাজার অনলাইনকে রাধিকা বলেছেন, ‘‘আমি সারাজীবন অনেক কাজ করেছি। মানুষের সেবা করেছি। এখন আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাজের সঙ্গেও যুক্ত হতে চাই। সেই কারণেই রাজনীতির আঙিনায়।’

[৫] রাধিকা বারে বারে বোঝাতে চাইলেন, বাংলাই তাঁর মূল। ‘‘আমি এমন দু’টি পরিবারের সদস্য, যাদের কথা ‘বংশপরিচয়’ নামের বইয়ে উল্লেখ রয়েছে।’’ সেই সূত্রেই রাধিকা জানালেন, তাঁর পিতামহ ছিলেন জমিদার। রায়সাহেব নগেন্দ্রকুমার ভট্টাচার্য মুর্শিদাবাদের নবাব বাহাদুরের জায়গির পেয়েছিলেন। নগেন্দ্রকুমার বহরমপুরের উল্লেখযোগ্য জমিদারও ছিলেন।

[৬] কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯১৩ সালে আইন বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন নগেন্দ্রকুমার। ১৯৩৪ সালে ‘রায়সাহেব’ উপাধি পাওয়া নগেন্দ্রকুমার বহরমপুর পুরসভার কমিশনার ছিলেন ১৯৩২ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত। ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত তিনি নির্দল প্রতিনিধি হিসাবে ছিলেন রাজ্যের বিধান পরিষদের সদস্য। 

[৭] শুধু পিতামহ নন, রাধিকার ঠাকুরমার বাবা কেদারনাথ চৌধুরিও ‘রায়বাহাদুর’ উপাধি পেয়েছিলেন। রাধিকা বলেন, ‘‘এখন বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার বামোইয়ের জমিদার ছিলেন বাবার মাতামহ। তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম জেলা এবং সেশন কোর্টের বিচারপতি হয়েছিলেন ১৯০১ সালে।’’

[৮] স্বামী প্রকাশ শাহ জাপান, ভেনেজুয়েলায় ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। মূলত গুজরাতের বাসিন্দা প্রকাশ জাতীসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধিও ছিলেন দীর্ঘসময়। দেশে-বিদেশে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। তবে অবসরের পরে স্ত্রী রাধিকার সঙ্গে সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত থাকলেও রাজনীতির সঙ্গে প্রকাশের কোনও সম্পর্ক নেই। জানালেন স্ত্রী রাধিকাই।

বিডি/আইএফ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়