শিরোনাম
◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি

প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৩ দুপুর
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মহাবিশ্বের রহস্যময় ‘কসমিক ভয়েড’ বা শূন্যতার মানচিত্র তৈরি করবে নাসার রোমান টেলিস্কোপ

মহাবিশ্ব যতটা গ্যালাক্সিতে ভরা, ঠিক ততটাই ভরা রহস্যে। অসংখ্য গ্যালাক্সির মাঝখানে রয়েছে বিশাল বিশাল ফাঁকা অঞ্চল, যেখানে খুব কম গ্যালাক্সি দেখা যায়। এসব অঞ্চলকে বলা হয় কসমিক ভয়েড (মহাজাগতিক শূন্যতা)। এই শূন্য অঞ্চলগুলোর বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করতে যাচ্ছে নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, দৃশ্যমান মহাবিশ্বে প্রায় দুই ট্রিলিয়ন গ্যালাক্সি থাকতে পারে। এসব গ্যালাক্সি এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে নেই। বরং এগুলো বিশাল বুদবুদের মতো গঠন তৈরি করে। সেই বুদবুদের ভেতরের প্রায় ফাঁকা জায়গাগুলোকেই কসমিক ভয়েড বলা হয়।

গবেষকদের মতে, এই ভয়েডগুলো বোঝা গেলে ডার্ক এনার্জি সম্পর্কে (মহাবিশ্বের দ্রুত বিস্তার ঘটায় যে রহস্যময় শক্তি) নতুন ধারণা পাওয়া যাবে। কারণ, যেখানে পদার্থ খুব কম, সেখানে ডার্ক এনার্জির প্রভাব বেশি স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

রোমান টেলিস্কোপের বিশেষ একটি জরিপ কর্মসূচি—হাই ল্যাটিটিউড ওয়াইড-এরিয়া সার্ভে—এই কাজের জন্য ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে গ্যালাক্সি সমতল থেকে দূরের বিশাল আকাশ অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করা হবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এতে হাজার হাজার কসমিক ভয়েড শনাক্ত করা যাবে। এর মধ্যে কিছু ভয়েডের আকার হবে প্রায় দুই কোটি আলোকবর্ষ।

রোমান টেলিস্কোপ প্রায় ২ হাজার ৪০০ বর্গডিগ্রি আকাশ পর্যবেক্ষণ করবে। এটা প্রায় ১২ হাজার পূর্ণিমার চাঁদের সমান এলাকা। এটি খুব দূরের ও ক্ষীণ গ্যালাক্সিও শনাক্ত করতে পারবে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে মহাবিশ্ব কীভাবে গঠিত হয়েছে, কীভাবে বিস্তৃত হচ্ছে এবং ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি কীভাবে কাজ করে—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা আরও সহজ হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়