শিরোনাম
◈ ভারতে ইসলাম থাকবে, নাগরিক মুসলিমদের কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার দিন, মানিয়ে নিতে শিখুন : আরএসএস প্রধান ◈ এবার যে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে এলো ইরাক (ভিডিও) ◈ ভারত থেকে বাংলাদেশে চোরাই মোবাইল পাচার: দিল্লি-কলকাতা থেকে আন্তর্জাতিক চক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ২৯৪ ফোন ◈ বাংলাদেশের দর্শকদের চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল দেখতে রাত জাগতে হ‌বে না ◈ টেনেও আনা যাচ্ছে না, ছুটি নিয়ে যে কারণে আর ফেরেনি এক লাখ ইসরাইলি সেনা! (ভিডিও) ◈ আগামীতে তরুণরাই রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ও গুণগত পরিবর্তন আনবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ আগামী সংসদ নির্বাচন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে : ইসি আনোয়ারুল ◈ চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লি‌গের ড্র: রিয়ালের মুখোমুখি লিভারপুল ও ম্যান সিটি, বার্সেলোনার প্রতিপক্ষ পিএসজি ◈ কখ‌নো ক‌ঠোর কখ‌নো ঢি‌লেঢালা, দায়িত্ব পালনে পুলিশ কি 'উভয় সংকটে' ◈ ‌বিকা‌লে ভুটা‌নের বিরু‌দ্ধে লড়াই‌য়ে নাম‌ছে বাংলাদেশ নারী দল

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ২৯ আগস্ট, ২০২৫, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ও ডেটা অতিরিক্ত খরচ হয় যেসব কারণে

স্মার্টফোন নতুন হোক বা পুরাতন সবার একটি সমস্যা দেখা দেয়। ফোন হাতে নেওয়ার আগেই ফুরিয়ে যায় মোবাইল ফোনের ডেটা আর ব্যাটারি। ফোন সম্পূর্ণ চার্জ করে রাখার কয়েক মিনিট পর কমতে থাকে ব্যাটারি পার্সেন্টেজ। এই সমস্যার পেছনে দায়ী কিছু অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ। যেগুলো ব্যবহারকারীর অজান্তেই ব্যাকগ্রাউন্ডে অতিরিক্ত ডেটা ও ব্যাটারি খরচ করে। প্রযুক্তিবিদেরা এমন অ্যাপগুলোকে ব্যাটারির ‘ভ্যাম্পায়ার’ বা রাক্ষস বলে অভিহিত করেন। অ্যাপের নকশাগত ত্রুটি, অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম, স্বয়ংক্রিয় আপডেট, লোকেশন সেবা এবং বারবার পাঠানো পুশ নোটিফিকেশনের কারণে এই অতিরিক্ত খরচ হয়। দেখে নেওয়া যাক যেসব কারণে ফোনের ডেটা ও ব্যাটারি দ্রুত খরচ হয়।

লোকেশনভিত্তিক অ্যাপ বেশি সক্রিয়
গুগল ম্যাপস বা ওয়েজের মতো নেভিগেশন অ্যাপ ব্যবহার করলে নিয়মিত লোকেশন আপডেট করতে হয়। স্যাটেলাইট বা মোবাইল টাওয়ারের মাধ্যমে এ তথ্য আদান-প্রদান করতে গিয়ে ডেটা যেমন খরচ হয়, তেমনি ব্যাটারিও দ্রুত ফুরিয়ে যায়। রাস্তায় যানজট বা দুর্ঘটনার তথ্য তাৎক্ষণিক পেতে হলে অ্যাপটিকে সব সময় সক্রিয় রাখতে হয়, যার ফলেও ডেটা ব্যয় বাড়ে।

ব্যাকগ্রাউন্ডে সচল থাকা অ্যাপ
অনেক অ্যাপ রয়েছে, যেগুলো ব্যবহারকারী সরাসরি ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে নানা কার্যক্রম চালিয়ে যায়। বিশেষ করে যেসব অ্যাপ রিয়েলটাইম তথ্য দেখায় বা সার্ভারের সঙ্গে বারবার তথ্য আদান-প্রদান করে, সেগুলোর ডেটা খরচ বেশি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদ অ্যাপ কিংবা ই–মেইল সেবায় এমন কার্যক্রম স্বাভাবিক। ফোনে থাকা ডেটা ক্যাশে সংরক্ষণ করেও কিছু অ্যাপ ডেটা খরচ করে, যাতে পরবর্তীবার চালু করলে দ্রুত লোড হয়। আবার কিছু অ্যাপ ‘প্রিফেচিং’ পদ্ধতিতে আগেভাগেই তথ্য ডাউনলোড করে নেয়, যেটিও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা ব্যবহার বাড়িয়ে দেয়।

ভিপিএন চালু থাকলে বাড়ে ডেটা ব্যয়
অনেকে ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে মোবাইলে ভিপিএন ব্যবহার করেন। তবে ভিপিএন সক্রিয় থাকলে ডেটা ব্যয় ৪ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। কারণ, নিরাপদ সংযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিটি তথ্য প্যাকেট এনক্রিপ্ট করে পাঠাতে হয়, যা অতিরিক্ত ডেটা ব্যবহার করে।

বারবার পুশ নোটিফিকেশন পাঠানো
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপ নিয়মিত নোটিফিকেশন পাঠায়। এমনকি অ্যাপটি চালু না থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থাকতে হয় এসব সেবার জন্য। এতে ডেটার পাশাপাশি প্রসেসরের ওপরও বাড়তি চাপ পড়ে। একই পরিস্থিতি দেখা যায় জিমেইল বা নিউজ অ্যাপের ক্ষেত্রেও।

ভিডিও ও মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপে ডেটা খরচ বেশি
ইউটিউব, নেটফ্লিক্স, ডিজনি+ কিংবা স্পটিফাইয়ের মতো স্ট্রিমিং অ্যাপ অনেক ডেটা খরচ করে। বিশেষ করে স্পটিফাই ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে পারে এবং ব্যবহারকারীর লাইব্রেরির সঙ্গে সিঙ্ক রাখে। যা ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা খরচ বাড়িয়ে দেয়। গানের গুণগত মান অনুযায়ী প্রতিটি গান ০.৭২ এমবি থেকে ৯.৭ এমবি পর্যন্ত ডেটা খরচ করতে পারে। তবে স্পটিফাইয়ে থাকা ‘ডেটা সেভার’ মোড চালু রাখলে ডেটা ব্যবহার কমানো সম্ভব।

অটো প্লে ভিডিও ফিচার
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ কোনো ভিডিও চলতে শুরু করল, এটা এখন খুব সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু এই অটো প্লে ফিচারই ডেটা শেষ হওয়ার অন্যতম কারণ। ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম—সবখানেই এ ফিচার আছে। বেশির ভাগ অ্যাপে সেটিংস থেকে এটি বন্ধ করা যায়।

গুগল প্লে স্টোরের স্বয়ংক্রিয় আপডেট
অনেক অ্যাপ ব্যবহার করলে প্লে স্টোরে নিয়মিত হালনাগাদ করতে হয় এবং ব্যাকগ্রাউন্ডেই আপডেট ডাউনলোড করে নেয়। ফলে ডেটা দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে।

ক্ষতিকর অ্যাপও খরচ বাড়াতে পারে
গুগল প্লে স্টোরে নিরাপত্তাব্যবস্থা ভালো হলেও মাঝেমধ্যে ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর অ্যাপ ফাঁকি দিয়ে ঢুকে পড়ে। এসব অ্যাপ কখনো কখনো প্রথমে সাধারণ আচরণ করলেও পরে অজান্তেই ব্যাকগ্রাউন্ডে ডেটা ব্যবহার করতে থাকে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়