দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে জমে উঠেছে জাপান ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ। ৫১ থেকে ৬৪ মিনিটের মধ্যে মাত্র ১৩ মিনিটে তিনটি গোল হয়, যা পুরো ম্যাচের চিত্রই বদলে দেয়।
৫১ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা ক্রসে ভির্জিল ভ্যান ডাইকের হেডে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। তার শক্তিশালী হেড পোস্টে লেগে জালে জড়িয়ে যায়।
তবে এই লিড বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। ৫৭ মিনিটে বাঁ পাশ থেকে গড়া দারুণ আক্রমণে কেইতো নাকামুরা গোল করে সমতা ফেরান। জাপান তখন ম্যাচে পুরোপুরি ফিরে আসে।
কিন্তু ৬৪ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। বক্সের বাইরে থেকে ক্রিসেনসিও সুমারভিল দারুণ এক শটে গোল করে দলকে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
এর আগে প্রথর্মাধ ছিল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, যেখানে দুই দলই বেশ কিছু ভালো সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রাখে নেদারল্যান্ডস। ডান দিক দিয়ে ভ্যান হেক আক্রমণে উঠে জাপানের রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করেন। তবে শেষ মুহূর্তে জাপানি ডিফেন্ডাররা সেই চাপ সামাল দেন।
অন্যদিকে জাপানও কয়েকটি পাল্টা আক্রমণ করেছে। বিশেষ করে ম্যাচের শেষ দিকে উয়েদা একটি গোল করার সুযোগ ছিল। তিনি ডিবক্সের ভেতর থেকে শট নিলেও বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।
প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে জাপান সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছে যায় গোলের। নাকামুরা বক্সের ভেতর থেকে শট নিলেও গোলবারের পাশদিয়ে চলে যায়। এর আগে নেদারল্যান্ডসের হয়ে মালেনের হেডে একটি ভালো সেভ করেন জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি। কর্নার থেকে আসা বলেও ডাচরা জাপানি রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়।
অতিরিক্ত সময়েও দুই দলই চেষ্টা চালালেও কোনো দলই গোলের খাতা খুলতে পারেনি। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ম্যাচ দাঁড়ায় গোলশূন্য সমতায়।