স্পোর্টস ডেস্ক : পুরো মাঠেই রাজত্ব চালিয়েছে আর্জেন্টিনা। ধারাবাহিক আক্রমণে তারা তুলে নিলো সহজ জয়। তবে মেসির অপেক্ষায় ছিলেন হাজারো দর্শক। আর্জেন্টিনা তখনও এগিয়ে। আক্রমণের পর আক্রমণও চলছিল। কিন্তু ৮৮ হাজার দর্শকে ঠাসা স্টেডিয়ামের অপেক্ষা ও কৌতূহল ছিল একজনকে ঘিরেই। কখন নামবেন লিওনেল মেসি! অবশেষে ৬৯তম মিনিটে এলো সেই মুহূর্তটি। গ্যালারি ভরা দর্শকের তুমুল উল্লাসের মধ্যে মাঠে নামলেন জাদুকর। তার ছোঁয়া থেকেই একটু পর পেনাল্টি পেল দল। তিনি তো আর এমন সুযোগ হাতছাড়া করবেন না! যথারীতি বল পাঠালেন জালে।
সেটি ছিল দলের দ্বিতীয় গোল। শেষ দিকে গোল হলো আরও একটি। সেখানেও মিশে থাকল মেসির নাম। কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়ার ম্যাচে শেষ পর্যন্ত আইসল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারাল আর্জেন্টিনা। --বিডিনিউজ
ম্যাচের শুরুর দিকে ভালেন্তিন বার্কো দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর ৭২তম মিনিটে গোল করেন মেসি। ৮৬তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান থিয়াগো আলমাদা। হন্ডুরাসকে ২-০ গোলে হারানোর পর আইসল্যান্ডের সঙ্গে এই জয়ে বিশ্বকাপের জন্য ম্যাচ-প্রস্তুতি শেষ করল চ্যাম্পিয়নরা। অপেক্ষা এখন শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করার।
এই জয় স্বস্তির তো বটেই। তবে আর্জেন্টিনার জন্য আরও বড় স্বস্তির খবর হয়তো মেসির ফেরা। গত ২৪ মে ইন্টার মায়ামির ম্যাচে পেশির অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন তিনি। এরপর থেকেই তাকে নিয়ে ছিল দুশ্চিন্তা। কোচ লিওনেল স্কালোনি যদিও বলেছিলেন, চোট বড় কিছু নয়, তার পরও মাঠে না নামার আগে অস্বস্তির আনাগোনা তো থাকেই। সেসব এবার দূর হলো।
আলাবামার জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে শুরুতেই বিপদে পড়েছিলে আর্জেন্টিনা। আইসল্যান্ডের গোলকিপারের পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন নিকো পাস, কিন্তু শট নেওয়ার ঠিক আগেই তার পা থেকে বল কেড়ে নেওয়া হয়। পাল্টা আক্রমণে আইসল্যান্ড একেবারে কাছ থেকে একটি সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে। ঠিকমতো ডান পা ব্যবহার করতে না পারায় বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে মেরে দেন এলার্টসন।