শিরোনাম
◈ দখলকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন খাস জমি উদ্ধার করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের উদ্যোগ: স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা ◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬, ০৫:৫০ বিকাল
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

আইপিএলের দল রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা বদল হ‌চ্ছে, চু‌ক্তি সা‌ড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার

স্পোর্টস ডেস্ক : ভারতের জনপ্রিয় টি-২০ লিগ আইপিএলের অন্যতম দল রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একটি বড় আর্থিক চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার (বাংলা‌দে‌শি মুদ্রায় আনুমানিক সা‌ড়ে ১৩ হাজার কোটি)-এর বিনিময়ে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি অধিগ্রহণ করতে চলেছে মিত্তল পরিবার। অংশীদার হিসেবে থাকছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি আদর পুনাওয়ালা।

সূত্র অনুযায়ী, চুক্তি সম্পূর্ণ হলে মিত্তল পরিবার প্রায় ৭৫% শেয়ারের মালিক হবে। অন্যদিকে, আদার পুনাওয়াল্লার হাতে থাকবে প্রায় ১৮% অংশীদারি। বাকি অংশ অন্যান্য ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে থাকতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

এই ডিলটি শুধু আইপিএলের ইতিহাসেই নয়, বিশ্ব ক্রিকেট ফ্র্যাঞ্চাইজি বাজারেও অন্যতম বড় চুক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আইপিএলের দলগুলির মূল্য দ্রুত বেড়েছে, যা এই লিগের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং আর্থিক শক্তির প্রতিফলন।

রাজস্থান রয়্যালস দলটি ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তারপর থেকে তারা ধারাবাহিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পারফরম্যান্স দেখিয়ে আসছে এবং বিশ্বজুড়ে একটি শক্তিশালী ফ্যানবেস তৈরি করেছে। এই নতুন মালিকানার ফলে দলের আর্থিক ও কৌশলগত শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মিত্তল পরিবারের ব্যবসায়িক দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা দলের পরিকাঠামো উন্নয়ন, নতুন প্রতিভা খোঁজা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। অন্যদিকে, ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান আদর পুনাওয়ালা ইতিমধ্যেই ক্রীড়া ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখিয়েছেন, যা এই যৌথ উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিনিয়োগের মাধ্যমে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির প্রতি বড় কর্পোরেট গোষ্ঠীর আগ্রহ আরও বাড়বে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে অন্যান্য দলগুলির মূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে বলা যায় এই চুক্তি ভারতীয় ক্রিকেট ব্যবসায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করতে চলেছে। এখন দেখার বিষয়, নতুন মালিকানার অধীনে রাজস্থান মাঠে এবং মাঠের বাইরে কতটা সফলতা পায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়