শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২৫ দুপুর
আপডেট : ২০ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

স্কুলজীবনে দিনে ১২ ঘণ্টা অনুশীলন করতাম, ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসাই সাফল্যের মন্ত্র: শচীন টেন্ডুলকা‌র

স্পোর্টস ডেস্ক : ভারতীয় ক্রিকেট কেন, গোটা বিশ্ব ক্রিকেটের কাছেই তিনি আইডল। ক্রিকেট জীবনে প্রচুর রেকর্ড গড়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি রয়েছে। তবে এসব কিছুই সহজে আসেনি। তার পিছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম আর গভীর অধ্যবসায়।

তিনি শচীন টেন্ডুলকার। এক অনুষ্ঠানে গিয়ে ক্রিকেটারদের সাফল্যের মন্ত্রটা জানিয়ে দিয়ে এলেন। শচীন বলেন, “আমি ক্রিকেট শুরু করি তার কারণ এই খেলাটাকে প্রচণ্ড ভালোবাসতাম। অসম্ভব প্যাশনেট ছিলাম। ---- সংবাদপ্রতি‌দিন

বলতে পারেন ক্রিকেটের প্রতি পাগল ছিলাম। সব সময় দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম। আর নিজেকে সেভাবেই তৈরি করেছিলাম। আমার জীবনে অনেকগুলো অধ্যায় আছে।একটা সময় যখন স্কুল ক্রিকেট খেলতাম, তখন দিনে ১২ ঘণ্টা মাঠে পড়ে থাকতাম। 

প্র্যাকটিস করতাম, নিজেকে প্রস্তুত করতাম। তারপর একটা সময় গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে টানা ৫৫ দিন ওইভাবেই প্র্যাকটিস করে যেতাম। সেটা করতে গিয়ে অসুস্থও হয়ে পড়েছিলাম।

আসল কথা হল আপনার মধ্যে যদি সেই প্যাশন না থাকে, সেই আগুন না থাকে, তাহলে কখনওই সাফল্য আসবে না। 

উন্নতির জন্য, এগিয়ে যাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম দরকার, সঠিক পরিকল্পনা দরকার। সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত করার জন্য সঠিক গাইডেন্সের দরকার। সঙ্গে অবশ্যই শৃঙ্খলাপরায়ণ হতে হবে।

শচীনকে প্রত্যেকটা মুহূর্তে প্রত্যাশার চাপ নিয়ে খেলতে হত। শচীনের কথায়, “মনে রাখতে হবে প্রত্যাশার চাপটা কেন থাকছে। কারণ, কোনও ক্রিকেটার অতীতে ভালো পারফর্ম করেছে বলেই তাঁর উপর প্রত্যাশার চাপ থাকে। আর ক্রিকেটারদের এই চাপ কীভাবে সামলাতে হয়, সেটাও জানতে হবে। দু’ভাবে ব্যাপারটা দেখা যায়। 

এক, আপনি প্রত্যাশার চাপের জন্য আরও চাপে পড়লেন। দুই, আপনি ভাবলেন যে অতীতে ভালো পারফর্ম করেছেন বলেই এই চাপটা রয়েছে। সেটাই আপনাকে আরও ভালো খেলতে উদ্বুদ্ধ করবে। 

প্রত্যেকটা ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্যে একটাই কথা বলব, কারও সঙ্গে লড়াইতে যেও না। কারও সঙ্গের নিজের তুলনা করো না। শুধু মাঠে নেমে নিজের সেরাটা উজাড় করে দাও। নিজে কী করতে পারো, শুধু সেটাই ভাবো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়