স্পোর্টস ডেস্ক : জয়টা একদমই আয়েশী। বড় ব্যাবধানেই বলা য়ায়। এক পর্যায়ে ম্যাচ তখন সমতায়। প্রতিপক্ষের আক্রমণাত্মক ফুটবলের বিপরীতে গোল বানিয়ে দিয়ে ইন্টার মায়ামিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করলেন লিওনেল মেসি।
এরপর শেষ সময়ের জয়সূচক গোলেও অবদান রাখলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এতেই নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মেজর লিগ সকার (এমএলএস) কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে মায়ামি।
বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে ঘরের মাঠে এমএলএসের মূল শিরোপা লড়াইয়ে ওয়েস্টার্ন কনফারেন্স জয়ী টমাস মুলারের ভ্যাংকুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩-১ গোলে হারায় মেসির দল। ---- অলআউট স্পোর্টস
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ক্লাবটির তিনটি শিরোপাই এলো মেসির হাত ধরে। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে মায়ামিতে যোগ দিয়ে দলকে জিতিয়েছিলেন লিগস কাপের শিরোপা। গত মৌসুমে মেসির নৈপুণ্যে পয়েন্টের রেকর্ড গড়ে দলটি জিতেছিল সাপোর্টার্স শিল্ড। এবার ঘরোয়া ফুটবলের সবচেয়ে বড় শিরোপার স্বাদও পেল তারা। এই জয়ে ক্যারিয়ারের ৪৭তম শিরোপা জিতলেন মেসি। সিনিয়র ফুটবলে সংখ্যাটা ৪৪তম।
মেসির দীর্ঘদিনের দুই সতীর্থ জর্দি আলবা ও সের্হিও বুসকেতসের ঝলমলে ক্যারিয়ারের শেষটা হলো শিরোপা জয়ের আনন্দে।
এমএলএস কাপ ফাইনালে ম্যাচের অষ্টম মিনিটে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। ৬০তম মিনিটে সমতায় ফেরে ভ্যাংকুভার। এরপর আক্রমণাত্মক ফুটবলে মায়ামিকে চাপেই রাখে মুলারের দল। শেষ পর্যন্ত দলকে এগিয়ে যেতে সহয়তা করেন মেসি।
প্রতিপক্ষের একজনের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দুইজনের ভেতর দিয়ে জাতীয় দল সতীর্থ রদ্রিগো দে পলের দিকে বল বাড়ান আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী মহাতারকা। গোলকিপারের পাশ দিয়ে বল জালে জড়ান দে পল।
যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে আলবার লম্বা ক্রস বুক দিয়ে নামিয়ে স্বদেশি তাদেও আইয়েন্দের দিকে বাড়ান মেসি। সেখান থেকে সহজেই ব্যবধান আরও বাড়ান আইয়েন্দে। আগের দুই ম্যাচে ৫ গোল আর্জেন্টাইন এই উইঙ্গার প্লে-অফে মোট ৯ গোল করে গড়লেন রেকর্ড।
গোল-অ্যাসিস্ট মিলিয়ে প্লে-অফে ১৫ গোলে অবদান রেখে রেকর্ড গড়েন মেসিও। নিয়মিত মৌসুমেও অপ্রতিরোধ্য ছুটে চলায় তিনি গড়েন রেকর্ডের পর রেকর্ড। টুর্নামেন্টের ‘মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার’ স্বীকৃতি পান তিনি। রেকর্ড গড়েন এখানেও। লিগে টানা দুইবার সেরা হওয়া প্রথম ফুটবলার এখন এই ফরোয়ার্ড।