স্পোর্টস ডেস্ক : ২০১০ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেটে যুক্ত হওয়ার পর থেকেই মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের হেড পিচ কিউরেটর ছিলেন গামিনি ডি সিলভা। গামিনি যোগ দেয়ার পর মিরপুরের পিচের ক্রমাগত বোলিং সহায়ক হয়ে ওঠা নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। পিচের মানের কারণে মিরপুর স্টেডিয়াম উঠে এসেছিল আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনামেও। তবুও গামিনির ওপরই আস্থা রেখেছিলেন তৎকালীন বিসিবি বসরা।
সর্বশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজে পিচ নিয়ে অনেক প্রশ্ন ওঠায় খানিকটা নড়েচড়ে বসে। মিরপুর থেকে গামিনিকে সরিয়ে পাঠানো হয় রাজশাহীতে। হেড অব টার্ফ ম্যানেজমেন্টের প্রধান টনি হেমিংওয়ে দায়িত্ব নেন মিরপুরের। তবে রাজশাহীতেও গামিনির কাজে সন্তুষ্ট নন বিসিবির কর্তারা। আর তাই এবার তাকে একেবারে বিদায় বলতে চাইছে বিসিবি৷
চলতি বছরের জুলাইয়ে গামিনির সঙ্গে এক বছরের চুক্তি হয় বিসিবির। ৩ মাস পেরোতেই এখন সেই চুক্তি বাতিল করতে চায় বিসিবি। সেক্ষেত্রে চুক্তি ভাঙার শর্ত অনুযায়ী, দুই মাসের বেতন দিয়ে দিচ্ছে বিবিসি। আগামীকাল রোববার (২ নভেম্বর) এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছে বিসিবির সূত্র।
পিচ নিয়ে বিতর্কে বিভিন্ন সময় সব দায় গামিনির ওপর বর্তালেও বিসিবির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। যেকোনো সিরিজ শুরুর আগে কিউরেটর পিচ প্রস্তুত করেন হোম টিম ম্যানেজমেন্টের চাহিদা অনুযায়ী। গামিনিও কাজ করেছেন সেভাবেই। লঙ্কান কিউরেটরের কথা না হয় বাদই দেয়া যায়।
বিশ্বজোড়া খ্যাতিসম্পন্ন নতুন কিউরেটর টনি হেমিংওয়ে সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে যে পিচ বানিয়েছেন সেটা গামিনির বানানো উইকেটের সঙ্গে তুলনায় পিছিয়ে নয় বরং এগিয়েই থাকবে। হেমিংওয়ের বানানো কালো এবং ঘাসবিহীন উইকেট নিয়ে সমালোচনা এবং হাস্যরসও হয়েছে অনেক। তথ্যসূত্র, সময়নিউজ