শিরোনাম
◈ দখলকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন খাস জমি উদ্ধার করা হবে: ভূমিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে ভারতের উদ্যোগ: স্থবির ৪০টির বেশি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টা ◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২৬ সকাল
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচনী হলফনামায় এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা আলমের ৩১ লাখ টাকার সম্পদ ও ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার আছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম (মিতু)। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তার হলফনামায় সম্পদের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।

হলফনামা অনুযায়ী, চিকিৎসক এই প্রার্থীর স্থাবর কোনো সম্পদ না থাকলেও নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকারের উল্লেখযোগ্য মালিকানা রয়েছে। ৩৭ বছর বয়সী মাহমুদা আলম এমবিবিএস ডিগ্রিধারী একজন চিকিৎসক। তিনি তার চিকিৎসাপেশা থেকে বছরে ৩ লাখ টাকা আয় করেন। হলফনামার তথ্যর অর্জিত অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৭৩৫ টাকা।

এর মধ্যে নগদ অর্থ রয়েছে ২৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা আছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৩৫ টাকা। এছাড়া ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য রয়েছে তার। গয়নার ক্ষেত্রে তিনি ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে বিস্ময়কর তথ্য হলো, এই চিকিৎসকের নামে কোনো স্থাবর সম্পদ অর্থাৎ গাড়ি, বাড়ি বা জমির কোনো মালিকানা নেই।

মাহমুদা আলমের স্বামী মো. মাহবুবুর রহমানও পেশায় একজন চিকিৎসক। হলফনামার তথ্যানুযায়ী, তার স্বামীর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৬১ লাখ ৬ হাজার ২১৩ টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ রয়েছে ৫৬ লাখ ৯৮ হাজার ২৪ টাকা এবং ব্যাংক আমানত ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৮৯ টাকা। এছাড়া স্বামীর মালিকানায় ১ লাখ ১২ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও ১ লাখ ২০ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। মাহমুদা আলমের মতোই তার স্বামীর কোনো স্থাবর সম্পদ বা জমি-ফ্ল্যাটের মালিকানা নেই।

গুলশানের সাহাবউদ্দিন মেডিকেল কলেজের সাবেক এই শিক্ষার্থী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় চিকিৎসকদের একজন হিসেবে বেশ পরিচিত। পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি রাজনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত আছেন। বর্তমানে তিনি এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক এবং দলের নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লেখ্য যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঝালকাঠি-১ আসন থেকে এনসিপির মনোনয়ন পেলেও ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সমঝোতার কারণে সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। তবে এবার সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছেন এই চিকিৎসক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়