শিরোনাম
◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা ◈ হরমুজে আটকে থাকা জাহাজের সংখ্যা প্রায় ২০০০! ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: বাণিজ্যমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীকে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় দেখতে চাই: আসিফ মাহমুদ

আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ‘পুকি’ হিসেবে দেখতে চাই না। প্রধানমন্ত্রীকে পলিটিক্যালি ভাইব্রেন্ট হিসেবে দেখতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া।

রোববার (৩ মে) কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে আয়োজিত এক জাতীয় কনভেনশনে তিনি এসব কথা বলেন। ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক এই কনভেনশনের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি।

আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন, আমরা একটা রাজনৈতিক সরকারের সময় একচন রাজনৈতিক প্রধানমন্ত্রীকে দেখি কেন যেন উনি রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে একটু এড়িয়ে যেতে চান। সোশ্যাল মিডিয়ায় বলে যে ‘পুকি’, সেটি হওয়ার একটু চেষ্টা করেন। আমরা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ‘পুকি’ হিসেবে দেখতে চাই না। এই জেনারেশন পলিটিক্যালি অনেক বেশি সচেতন হয়েছে। তাকে আমরা একজন পলিটিক্যালি ভাইব্রেন্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। আশা করছি, আমাদেরকে তিনি রাজনৈতিক দিশা দেখানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবেন।

তিনি বলেন, আমাদের মূলধারার গণমাধ্যমের দল বদলের কারণে মানুষের বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। ফলে তারা নতুন গণমাধ্যমের দিকে ঝুঁকছে। অভ্যুত্থানের সময় যখন মূলধারা থেকে আমাদের কণ্ঠ প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন নতুন গণমাধ্যম অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। 

তিনি আরও বলেন, ‌‌‌‘৫ আগস্টের পর যখন সংবাদমাধ্যম দখল হওয়া শুরু করে, সময়ের পরিক্রমায় সেগুলো কেবল হাত বদল হয়েছে। গণমাধ্যম নিয়ে কাজ করতে গেলে যে কোনো সরকার চিন্তায় পড়ে যায়। এর পরিণতি কি হতে পারে, এটা নিয়ে তারা চিন্তিত হয়ে পড়ে। সাংবাদিকরা, মালিকরা ক্ষেপে যেতে পারে এবং সরকারের বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও হয়েছে।’

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ‘সাংবাদিকদের অনেকেই গ্রেপ্তার অবস্থায় আছেন, আওয়ামী লীগের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে আছেন, যথাযথ আইনি কাঠামো না থাকায় যারা ফ্যাসিবাদ হয়ে উঠতে সহায়তা করেছেন, তাদের এখন একটা হিরো ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। অথচ তাদের আরও ভয়াবহ শাস্তি হওয়া দরকার ছিল।’ 

মানবাধিকার সার্বজনীন হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের যথেষ্ট আইনি কাঠামো না থাকার কারণে আমরা তা অনুশীলন করতে পারছি না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।  

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়