মহসিন কবির: চট্টগ্রাম সিটি কলেজে সংঘর্ষের ঘটনার প্রতিবাদে এবং জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিকে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ আখ্যা দিয়ে তা নিষিদ্ধের দাবিতে ঢাকা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী কলেজ এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এছাড়া দেশে বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেয়াল লিখন কর্মসূচিও পালন করেছেন, এসময় সংঘর্ষও হয়েছে।
রাজধানীর শাহবাগ থানায় আটকে পড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নেতাদের উদ্ধার করতে গিয়ে ছাত্রদলের তোপের মুখে পড়েছেন ভিপি সাদিক কায়েম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ। এক পর্যায়ে তারা থানার সামনে থেকে ডাকসু ভবনের দিকে চলে যান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সাদিক কায়েমের বিরুদ্ধে গুপ্ত রাজনীতি করার অভিযোগ তোলেন। অতীতে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে তার জড়িত থাকার ঘটনা নিয়েও ক্ষোভ জানানো হয়। ‘সাদিক কায়েমের ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে না’—এমন স্লোগানও শোনা যায়।
এর আগে রাজধানীর শাহবাগ থানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) দুই নেতা এ বি জুবায়ের ও মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদের ওপর হামলা করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
থানার ভেতরে আটকে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। রাত ৮টার দিকে শাহবাগ থানায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হলে ঘটনাস্থলে আসেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক জুবায়ের ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিক। এ সময় তাদের বেশ কয়েকবার মারধর করা হয়। এ ছাড়া ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান নূর আলভিও মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে আপত্তিকর পোস্ট ছড়ানো হয়। এ ঘটনা নিয়ে স্ক্রিনশটটিকে ভুয়া দাবি করে রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ থানায় জিডি করতে যান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ও মাস্টারদা সূর্যসেন হলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান আলভি। এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হন।
এ ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে শাহবাগ থানায় প্রবেশ করেন এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ঘিরে ধরেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। পরে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের দুজনকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। এ সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে বেশ কয়েকজন সাংবাদিককেও মারধর করেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে সংঘর্ষের জের ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও শিবির উভয় সংগঠনই পাল্টাপাল্টি মিছিল ও শোডাউন করেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদেক কায়েম।
চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর পুরো শিক্ষাঙ্গনে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এই সহিংস ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি, এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও। গতকাল বুধবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাল্টাপাল্টি মিছিল-শোডাউন হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে মঙ্গলবার সংঘর্ষের পরপরই কলেজ প্রশাসন ক্লাস ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করে। ফলে একাডেমিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে আসে। হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা। অনেকেই নিরাপত্তার অভাবে ক্যাম্পাসে আসেননি। অভিভাবকদের মধ্যেও উদ্বেগ বেড়েছে।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে চট্টগ্রামের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও উত্তেজনা দেখা গেছে। কয়েকজন অভিভাবক জানান, এমন সংঘর্ষ ছাত্ররাজনীতির সহিংস প্রবণতাকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়া ছাড়াও নতুন করে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এদিকে গতকাল সিটি কলেজে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা দ্রুত একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ পরিবেশ প্রত্যাশা করছেন। যাতে তারা নির্বিঘ্নে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন।
এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গতকাল চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদেক কায়েম।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফারুক এ হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে আমাদের প্রায় ৩০ জন নেতা-কর্মীর ওপর হামলা করা হয়েছে। যারা ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস করে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করতে চাই, ক্যাম্পাসে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে সেই হামলায় কি আপনারা প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আপনারা সেই নব্বই-পরবর্তী সময়ে আবার ফিরে যেতে চান। ছাত্রদের ওপর হামলা চালিয়ে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চান। তাহলে সুশীল কথা বলে লাভ কী।
তিনি বলেন, মেডিকেলে আহত শিবির কর্মীকে দেখতে গিয়েছি। হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা করা হয়েছে। তার পায়ের গোড়ালি কেটে গেছে। এতে তার পা কেটে ফেলতে হতে পারে। এমন বর্বর হামলার বিচার দাবি করছি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুল রশিদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার পর এখনো মামলা হয়নি। কোনো পক্ষই থানায় আসেনি। মামলা হলে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে কাজ করবে পুলিশ।
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের রেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে একই রাতে শক্তি প্রদর্শনে নেমেছে দুই সংগঠন। গত মঙ্গলবার রাতে পৃথক সময়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দেয় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির, যা কার্যত ক্যাম্পাসে পাল্টাপাল্টি শোডাউনে রূপ নেয়।
রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট (স্মরণ চত্বর) থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে চবি শাখা ছাত্রদল। মিছিলটি সোহরাওয়ার্দী মোড়, আলাওল হল হয়ে ২ নম্বর গেটে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতারা অভিযোগ করেন, সিটি কলেজে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর গুপ্ত শিবির হামলা চালিয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুপ্ত রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।
সমাবেশে চবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে এ ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসগুলোতে গুপ্ত রাজনীতি সক্রিয় রয়েছে এবং তা শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে। পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তার মোড়ে মোড়ে গুপ্ত শব্দটি উল্লেখ করে স্লোগান লেখে ছাত্রদল।
এর প্রায় এক ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে একই স্থান জিরো পয়েন্ট থেকে পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল বের করে চবি শাখা ছাত্রশিবির। মিছিলটি সোহরাওয়ার্দী মোড়, আলাওল হল, এএফ রহমান হল ও নিরাপত্তা দপ্তর এলাকা ঘুরে আবার জিরো পয়েন্টে এসে সমাবেশে শেষ হয়।
সমাবেশে চবি ছাত্রশিবির সভাপতি ও চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি দাবি করেন, সিটি কলেজে তাদের সংগঠনের ওপর হামলার প্রতিবাদে করা মিছিলে আবারও হামলা চালানো হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বহিরাগতদের এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহিংসতা ঘটানো হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানান।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক শব্দচয়ন ও ‘গুপ্ত’ শব্দের ব্যবহারকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা শিক্ষার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
রাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে শিবির-ছাত্রদলের সংঘর্ষের প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা এ কর্মসূচি পালন করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা, ‘জামায়াত শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে ক্যাম্পাস ছাড়’, ‘শিবিরের সন্ত্রাসীরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘রগ কাটা যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘একাত্তরের রাজাকার, এই মুহূর্তে ক্যাম্পাস ছাড়’, ‘এক দুই তিন চার, জামায়াত শিবির বাটপার’, ‘শিবিরের চামড়া, তুলে নিব আমরা’ প্রভৃতি স্লোগান দেন।
জাবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
চট্টগ্রাম সিটি কলেজে শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ সালাম-বরকত হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
রাজশাহী কলেজে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল
রাজশাহী কলেজে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কলেজ শাখা। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দ্বিতীয় বিজ্ঞান ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সমাবেশে রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ (আবির) বলেন, ‘৫ আগস্টের আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি করা হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীর পরিচয়ে এসব কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তারা বিভ্রান্তি তৈরি করছে। চট্টগ্রামে এ ধরনের রাজনীতির প্রতিবাদ করতে গেলে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের কোনো ক্যাম্পাসেই গুপ্ত রাজনীতি চলতে দেওয়া হবে না। রাজনীতি করতে হলে প্রকাশ্যে করতে হবে। গোপন কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করা হবে।’
নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দেয়াল লিখন
জামায়াত-শিবিরের ‘গুপ্ত’ রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দেয়াল লিখন কর্মসূচি পালন করেছে শাখা ছাত্রদল। একই সঙ্গে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে না এলে তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম পুরোদমে নিষিদ্ধ করার হুঁশিয়ারিও দেন সংগঠনটির নেতারা। গতকাল বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। উপাচার্যের কার্যালয়, উপাচার্যের বাসভবন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে লিখন করেন ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।