শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২৬, ০৯:১৯ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশের ৩ গবেষক

গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’। এতে বাংলাদেশের তিন বিজ্ঞানীও স্থান পেয়েছেন। তারা হলেন- তরুণ গবেষক মারজানা আক্তার, ড. তাহমিদ আহমেদ এবং ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়ক।

এছাড়া তালিকায় আরও স্থান পেয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী শিমন সাকাগুচি, রসায়নে নোবেলজয়ী সুসুমু কিতাগাওয়া এবং গণিতের নোবেল-সমতুল্য আবেল প্রাইজ জয়ী মাসাকি কাশিওয়ারা। 

গবেষকদের এই আন্তর্জাতিক তালিকায় স্থান পেতে হলে পূর্ববর্তী বছরে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক স্তরে বড় কোনো বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, পুরস্কার কিংবা অ্যাকাডেমিয়া ও শিল্প খাতে নেতৃত্বের প্রমাণ দিতে হয়। আন্তর্জাতিক এই তালিকায় স্থান পাওয়া গবেষকদের অনারি (সম্মানিত ব্যক্তি) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

চলতি বছরের তালিকার সবচেয়ে কম বয়সী বিজ্ঞানী হলেন বাংলাদেশের তরুণ গবেষক মারজানা আক্তার।বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থী কৃষিবিজ্ঞান বিভাগে এই গৌরব অর্জন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের পোলট্রি খাতে প্রথমবারের মতো একটি বিশেষ ভাইরাস শনাক্ত করে ভাইরোলজি গবেষণায় নতুন মাত্রা যোগ করেন।

তিনি বিশ্বের ১৯৩টি দেশের মধ্যে মাত্র ১০ জন নির্বাচিত তরুণীর একজন হিসেবে ২০২৫ সালে জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইয়াং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপ’ লাভ করেন। এর মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বায়োসিকিউরিটি, বায়োসেফটি এবং সায়েন্স ডিপ্লোম্যাসি নিয়ে কাজ করছেন।

মারজানার এই অর্জনের বিষয়ে তার স্বামী নিউজিল্যান্ডভিত্তিক ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সফার কোম্পানির সহপ্রতিষ্ঠাতা ইউশা আরাফ জানান, মারজানার এই পথচলা সহজ ছিল না। মাস্টার্সে ভর্তির পর গর্ভাবস্থায় ল্যাব ও থিসিসের কাজ করার সময় শারীরিক জটিলতায় আইসিইউতেও ছিলেন। সন্তান জন্মের মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরই তার মাস্টার্স থিসিস সফলভাবে ডিফেন্ড করেন।

তালিকায় জায়গা পাওয়া আরেক বাংলাদেশি গবেষক ড. তাহমিদ আহমেদ বর্তমানে আইসিডিডিআর,বি’র নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মা ও শিশুর পুষ্টিহীনতা দূরীকরণ এবং ডায়রিয়া প্রতিরোধে যুগান্তকারী অবদান রাখছেন।

তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে তালিকায় স্থান পাওয়া ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন শায়ক বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ডায়স অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। পরিবেশবান্ধব টেক্সটাইল শিল্প ও কম কার্বন নির্গমন নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি।

জানা যায়, এই গবেষকের প্রতিষ্ঠিত ‘ডিকার্বোনাইজেশন ল্যাব’ প্রকল্পে কম ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করে কাপড়ে রং করার সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি নিয়ে কাজ হচ্ছে।

সূত্র: সময়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়