শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র ক‌রে বিশ্ব অর্থনীতিতে যুক্ত হবে ৪১ বিলিয়ন ডলার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় এবার এআই নজরদারি: টহলে নামছে রোবট, ড্রোন ও স্মার্ট ফাইবার সেন্সর! ◈ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ একনেক সভায় ৫ উন্নয়ন প্রকল্প পাস, ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ◈ খাদ্যের বিনিময়ে যৌন সম্পর্কের চাপ, তদন্তে বেরিয়ে এলো ভয়াবহ তথ্য ◈ এবার বিবাহ নিবন্ধন নিয়ে সরকারের বড় যে ঘোষণা ◈ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি গঠন ভারতের ◈ পদত্যাগ করলেন আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. শেখ মহিউদ্দিন ◈ ভারতে প্রবেশ না করেই দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন ড. জাহেদ উর রহমান (ভিডিও) ◈ রাজধানীর মহাখালী-তেজগাঁও সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবরোধ ◈ এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার করে গায়েব! ওসির নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বহনকারীকে!

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪১ দুপুর
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একাত্তরের মানবতাবিরোধী মামলায় খালাস পেয়েছেন খান আকরাম হোসেন

একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া খান আকরাম হোসেনকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ (বৃহস্পতিবার) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

এর আগে গতকাল একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া খান আকরাম হোসেনের আপিলের ওপর রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

২০১৫ সালের ১১ আগস্ট এ মামলায় বাগেরহাটের শেখ সিরাজুল হক ওরফে সিরাজ মাস্টারকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

বাগেরহাটের আরেকজন খান মো. আকরাম হোসেনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

রায়ের দিন ধার্য থাকায় সকালেই সিরাজ ও আকরামকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। রায়ে বলা হয়, এই মামলার আসামি তিনজন। এর মধ্যে সিরাজুল হকের বিরুদ্ধে আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটি এবং আকরামের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগের মধ্যে একটি প্রমাণিত হয়েছে।

প্রমাণিত হওয়া পাঁচ অভিযোগেই সিরাজকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ফায়ারিং স্কোয়াডে বা ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে। 

আর প্রমাণিত হওয়া এক অভিযোগে আকরামকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খান আকরাম হোসেন। 

এ মামলার আরেক আসামি আবদুল লতিফ তালুকদার মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় তাকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়