শিরোনাম
◈ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেত: জামায়াত আমির ◈ সেবায় অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে ২১ ওমরাহ কোম্পানির লাইসেন্স স্থগিত করল সৌদি ◈ বেরোবির সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহকে জামিন দিল হাইকোর্ট ◈ চীনা বিনিয়োগ টানতে বিশেষ পরিকল্পনা, জানালেন বিডা চেয়ারম্যান ◈ শেষ পর্যন্ত থামেনি উত্তেজনা, ২–২ ড্রয়ে শেষ জাপান-নেদারল্যান্ডস লড়াই ◈ গভীর রাতে টেকনাফে গুলিবর্ষণ, আতঙ্কে নির্ঘুম জুম্মাপাড়ার মানুষ ◈ দিল্লিতে প্রবেশে বাধা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে, ফয়েজের ফেসবুক স্ট্যাটাস ◈ দেড় লাখ মানু‌ষের দেশ কুরাসাও বিশ্বকাপ খেল‌ছে, জার্মা‌নির বিরু‌দ্ধে গোলও ক‌রে‌ছে ◈ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ এবার ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের যে সুখবর দিলেন ভারপ্রাপ্ত এমডি!

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৬ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অপচয় রোধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি

দেশে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও অপচয় রোধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। নতুন অধ্যাদেশে গ্যাস চুরির অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ তথ্য জানান।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এই অধ্যাদেশ বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হবে।

রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই অধ্যাদেশ জারি করেন।

সংশোধিত অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, দেশের কোনো বিদ্যুৎ ও সার কারখানা শ্রেণিভুক্ত গ্রাহক যদি অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করে দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তাকে অনধিক দুই বছর কারাদণ্ড বা চার লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে। তবে একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটলে শাস্তির পরিমাণ বেড়ে অন্যূন, দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়ার বিধানও রয়েছে নতুন আইনে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, শিল্প, ক্যাপটিভ পাওয়ার, সিএনজি স্টেশন বা চা বাগান গ্রাহকদের ক্ষেত্রে প্রথমবার অপরাধে এক বছর কারাদণ্ড বা ২ লাখ টাকা জরিমানা। পুনরাবৃত্তিতে এক থেকে তিন বছর কারাদণ্ড এবং চার লাখ টাকা জরিমানা গুণতে হবে। আর বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে অনধিক ছয় মাস কারাদণ্ড বা ৪০ হাজার টাকা জরিমানা। পুনরাবৃত্তিতে ছয় মাস থেকে এক বছর কারাদণ্ড এবং ৮০ হাজার টাকা জরিমানা।

অন্যদিকে গৃহস্থালি গ্রাহকদের ক্ষেত্রে অনধিক তিন মাস কারাদণ্ড বা ২০ হাজার টাকা জরিমানা। পুনরাবৃত্তিতে তিন থেকে ছয় মাস কারাদণ্ড এবং ৪০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, শুধু ব্যবহারকারী নয়, যদি কোনো জমির মালিক, ভবন বা ফ্ল্যাটের স্বত্বাধিকারী গ্যাস চুরিতে সহায়তা করেন বা প্ররোচনা দেন, তবে তিনিও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।


এক্ষেত্রে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, স্বত্বাধিকারী দোষী সাব্যস্ত হলে শ্রেণিভেদে ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া গ্যাস বিতরণ কোম্পানির কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এই অধ্যাদেশে ‘প্ররোচনা’ শব্দের নতুন সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। যা অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা আরও সহজ করবে। এছাড়া, গ্যাস ব্যবহারের সঠিক পরিমাপের জন্য মিটার নেই-এমন গৃহস্থালি সংযোগকে ‘নন-মিটারড’ গ্রাহক হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়