শিরোনাম
◈ শেষ পর্যন্ত থামেনি উত্তেজনা, ২–২ ড্রয়ে শেষ জাপান-নেদারল্যান্ডস লড়াই ◈ দিল্লিতে প্রবেশে বাধা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে, ফয়েজের ফেসবুক স্ট্যাটাস ◈ দেড় লাখ মানু‌ষের দেশ কুরাসাও বিশ্বকাপ খেল‌ছে, জার্মা‌নির বিরু‌দ্ধে গোলও ক‌রে‌ছে ◈ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ এবার ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের যে সুখবর দিলেন ভারপ্রাপ্ত এমডি! ◈ লন্ডন থেকে যাত্রাপথে দুবাইয়ে এআই ফেস রিকগনিশনে ধরা পড়লেন বেনজীর! শনাক্তকরণ নিয়ে চাঞ্চল্য ◈ দুবাইয়ে গ্রেফতার সাবেক আইজিপি বেনজীরকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে: দুদক ◈ জামায়াতের দুই নারী সদস্যকে নিয়ে মন্তব্য করায় আবারও উত্তপ্ত সংসদ (ভিডিও) ◈ নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে সুন্দর সূচনা বাংলাদেশের ◈ বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের পাঁচ জেলায় নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ার সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৬ সকাল
আপডেট : ১৪ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভ্রমণের সময় বমি ভাব কমানোর সহজ ও কার্যকর উপায়

আমাদের শরীরের ভারসাম্য রক্ষার জন্য মস্তিষ্ক মূলত চোখ ও কানের ভেতরের অংশ থেকে আসা সংকেতের ওপর নির্ভর করে থাকে। আপনি যখন গাড়ির গতির বিপরীত দিকে মুখ করে বসে থাকবেন, তখন আপনার চোখ দেখতে পায় যে আপনি পেছনের দিকে সরে যাচ্ছেন। কিন্তু আপনার অন্তকর্ণ অনুভব করে যে, গাড়িটি সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আর মস্তিষ্ক যখন এ দুটি ভিন্নধর্মী ও বিপরীতমুখী সংকেত একসঙ্গে পায়, তখন সে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। এই স্নায়ুবিক গোলমালের কারণেই আপনার শরীরে অস্থিরতা তৈরি হয় এবং বমি বমি ভাব শুরু হয়।

আর গাড়ির গতির দিকে তাকিয়ে থাকলে আমাদের চোখ সামনের রাস্তা দেখতে পায়। ফলে গাড়ি কখন মোড় নেবে বা ব্রেক কষবে, তা মস্তিষ্ক আগভাগেই আঁচ করতে পারে এবং শরীরকে প্রস্তুত রাখে। কিন্তু উল্টো দিকে বসলে সেই পূর্বাভাস পাওয়া অসম্ভব। ফলে হঠাৎ ঝাঁকুনি কিংবা বাঁক নেওয়ার সময় শরীর তাল মেলাতে পারে না, যা মোশন সিকনেসকে আরও বাড়িয়ে দেয়, বিশেষ করে পাহাড়ি কিংবা আঁকাবাঁকা রাস্তায়।

সে জন্য মোশন সিকনেস ও বমি ভাব কমাতে ভ্রমণের এক ঘণ্টা আগে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টি-অমিটিক (যেমন— ডমপেরিডোন বা ভমিট) ওষুধ সেবন করুন। সামনের সিটে বসুন, জানালার বাইরে দূরের স্থির কোনো বস্তুর দিকে তাকান। মোবাইল-বইপড়া এড়িয়ে চলুন। সেই আদা কিংবা লেবু চুষে বা চুইংগাম চিবিয়ে বমি ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

চলুনে দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে ভ্রমণকে আরামদায়ক করতে কিছু কার্যকর কৌশল অবলম্বন করবেন—

প্রথমত জানালার বাইরে দিগন্তের কোনো স্থির বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করুন। এটি আপনার চোখের বিভ্রান্তি কমাতে সাহায্য করবে।

দ্বিতীয়ত আপনার যদি খুব বেশি খারাপ লাগে, সেই সময় চোখ বন্ধ করে সিটে মাথা হেলান দিয়ে বিশ্রাম নিন। এতে আপনার মস্তিষ্ক দৃশ্যমান সংকেত নেওয়া বন্ধ করে দেবে এবং অস্থিরতা কমিয়ে দেবে।

তৃতীয়ত গাড়ি চলন্ত অবস্থায় উল্টো দিকে বসে মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা বা বই পড়া সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত। এটি মস্তিষ্ক ও চোখের সংকেতের পার্থক্য আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে দ্রুত বমি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

চতুর্থত বাসের ক্ষেত্রে চাকার ওপরের সিট এড়িয়ে মাঝখানের সিটে বসার চেষ্টা করুন। সেখানে ঝাঁকুনি তুলনামূলক কম অনুভূত হয়।

পঞ্চমত পছন্দের গান শোনা বা পাশের যাত্রীর সঙ্গে গল্পে মেতে উঠলে অস্বস্তির দিকে মনোযোগ কমে যায়। এতে সামান্য সচেতনতা আর সঠিক সিট নির্বাচন আপনার ভ্রমণকে আনন্দময় ও যন্ত্রণামুক্ত করে তুলবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়