শিরোনাম
◈ ট্রাইব্যুনালে টবি ক্যাডম্যানের না থাকা নিয়ে আলোচনা, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ◈ মাদ্রাসায় বেড়েছে ছুটি ◈ আমার হাঁস যেন চুরি না হয়: রুমিন ফারহানা (ভিডিও) ◈ জঙ্গল সলিমপুর: চার দশকের দখল, সন্ত্রাস ও রক্তে গড়া ৩০ হাজার কোটি টাকার ‘নিষিদ্ধ ভূখণ্ড’ ◈ ক্ষমতায় গেলে ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয়’ গড়ার ঘোষণা জামায়াতে ইসলামীর ◈ ৫৭ হাজার টন গম নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন জাহাজ ◈ রাজধানীতে মিরপুরে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, ১৬ জন কর্মী আহত ◈ লন্ডন আর ঢাকায় থাকার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য নিয়ে যা বললেন জাইমা রহমান ◈ পোস্টাল ভোটিংয়ের ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা’ নিয়ে যে বার্তা দিলেন সিইসি ◈ জাতি কখনো দিশেহারা হলে জুলাই জাদুঘরে পথ খুঁজে পাবে: প্রধান উপদেষ্টা 

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৫৮ সকাল
আপডেট : ২০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শীতকালে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা করবেন

গরমকালে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় অনেক সময় খাবারে অরুচি তৈরি হয়। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া-মসলাদার খাবারে অ্যাসিড রিফ্লাক্স, হজমের সমস্যা ও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। এমন খাবার শরীরকে গরম করে তোলার সঙ্গে অতিরিক্ত ঘামে অস্বস্তির শুরু হয়। তবে শীতকাল ঠিক যেন তার উলটো। হরেক পদের শাকসবজি, নতুন ধানের ঘ্রাণে-স্বাদের ভাপা, পুলি, নকশী পিঠার দশ পদ, শীতের ঘোরাঘুরিতে তেলে ভাজা আলুর চপ-বেগুনির খাবারে সন্ধ্যার রাস্তার পাশে উপচেপড়া ভিড় জমে। শীতে এত খাবারের ভিড়ে শরীরের ওজন ঠিক রাখাটাই দায়।  মেদ চর্বি আর শরীরের ওজন ঠিক রাখতে শীতকালে খাবারের মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন যেভাবে-

খাবারে প্রোটিনের মাত্রা বাড়ান। ডিম, মুরগির মাংস, মাছ, ডাল, ছোলা, সয়াবিন, পনির, দই, বাদামে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। তবে যারা মাছ-মাংস কম খান তাদের জন্য মসুর ডাল, পনির, ছোলা এবং শাকসবজি যেমন পালং শাক ও ব্রকলি আমিষের ভালো উৎস হতে পারে। প্রোটিন হজম হতে বেশি সময় নেয়। তাই পেট অনেকক্ষণ ভর্তি থাকে। তাই ভাজাপোড়া, তেল মসলাদার খাবার দেখলেও খেতে ইচ্ছে করবে না।

শীতকালে ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ায় শরীর সহজেই ডিহাইড্রেটেড হয়ে পড়ে। অনেক সময় পিপাসার সঙ্গে ক্ষুধামন্দা অনুভূব হয়। পানি কম পানে খাওয়ার ইচ্ছাও বেড়ে যায়। শীতে খাবারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে বেশি করে পানি পান করুন। এছাড়াও শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক আর্দ্র রাখতে পানির কোনো বিকল্প নেই। 

শীতের দিনে দুটি খাবারের মাঝে খুব বেশি ব্যবধান রাখা চলবে না। সকালের নাস্তা না খেয়ে সোজা দুপুরের খাবার খেতে বসলেন, এমন ভুল করবেন না। খালি পেটে দীর্ঘক্ষণ থাকলে যখনই খেতে বসবেন, তখন অজান্তেই বেশি খাওয়া হয়ে যাবে। তাই সময়ের খাবার সময়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন।

শীতের দিনে রাত জেগে পার্টি, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা একটু বেশি হয়। ফলে ঘুম হয় না ঠিক মতো। ঘুম কম হলে কিন্তু শরীরে ‘হাঙ্গার হরমোন’ বা ঘ্রেলিনের (পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত হয় এবং মস্তিষ্ককে ক্ষুধা পাওয়ার সংকেত পাঠায়) ক্ষরণ বেড়ে যায়। তাই বেশি করে ক্ষুধা পায়। ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে প্রতি দিন নিয়ম করে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর বিকল্প নেই। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়