শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:৫৯ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে চিয়া সিডসের চেয়েও কার্যকর ইসবগুল, জেনে নিন এর বহুবিধ গুণাগুণ

কয়েক বছর ধরে ট্রেন্ডে রয়েছে চিয়া সিডস। ওজন কমানো থেকে শুরু করে পেট সাফ করার কাজ করে এ সাদা-কালো দানা। চিয়া বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই অপরিহার্য। তবে চিয়া বীজের চেয়েও উপকারী উপাদান রয়েছে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপযোগী। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চিয়া বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।  তবে শুধু চিয়া সিডস নয়, এর চেয়ে বেশি ফাইবার পাবেন ইসবগুলে। একসময়ে কোষ্ঠকাঠিন্য তাড়াতে অনেকেই রাতে ইসবগুল গুলে খেতেন। কিন্তু বর্তমানে ইসবগুলের জায়গা নিয়েছে চিয়া সিডস। তবে চিয়ার চেয়ে বেশি পুষ্টি পাবেন ইসবগুলেই।

আর ১০০ গ্রাম চিয়া সিডের মধ্যে প্রায় ৩৪ গ্রাম ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে। অন্যদিকে ১০০ গ্রাম ইসবগুলের মধ্যে ৭০-৮০ গ্রাম ডায়েটরি ফাইবার পাওয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, চিয়া বীজের ফাইবারের ৮৫-৯০ শতাংশই হলো দ্রবণীয়। অর্থাৎ চিয়া সিডস খেলে কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর পাশাপাশি ওজনও বাড়ে না। ইসবগুলের ফাইবার অদ্রবণীয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সহায়ক। ইসবগুল মলকে নরম করে এবং পেট সাফ করে দেয়।

সুতরাং ইসবগুলের মধ্যে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরনের ফাইবারই পাওয়া যায়। তাই ইসবগুল খেলেও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমিয়ে দিতে পারে ইসবগুল। এমনকি  রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে এ উপাদান। আর ইসবগুল খেলে পেট দীর্ঘক্ষণ ভর্তি থাকে। এতে অহেতুক খাবার খাওয়ার ইচ্ছে কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া হজমে সহায়তা করে ইসবগুল। এতে থাকা ফাইবার পাকস্থলীতে একটি সুরক্ষার স্তর তৈরি করে, যা বদহজম প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ইসবগুল এক ধরনের প্রিবায়োটিক। তাই অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য এটি বিশেষ উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করা ছাড়াও অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ায়। দিনে ২-১ চামচ ইসবগুল খেতে পারেন। জল বা দুধে মিশিয়ে ইসবগুল খেলে সবচেয়ে ভালো উপকার মেলে। এ ছাড়া টকদইয়ের সঙ্গেও ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়া যায়। তবে ইসবগুলের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া ভালো। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে ইসবগুল খেতে পারেন।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়