শিরোনাম
◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি 

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২৬, ০৭:৩৭ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১১৮ দ্বীপের ওপর গড়ে উঠেছে এই শহর, যেখানে নেই কোনো গাড়ির রাস্তা

রাস্তাঘাট জুড়ে গাড়ির হর্ন নেই, নেই ট্রাফিক জ্যামের চিরচেনা ব্যস্ততা। যেখানে সাধারণ পিচঢালা সড়ক থাকার কথা, সেখানে বয়ে চলেছে জলের ধারা। প্রাত্যহিক জীবনযাত্রার গতিও সেখানে অন্য যেকোনও শহরের চেয়ে বেশ ধীর আর শান্ত। ইতালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এমনি এক জাদুকরি ও ঐতিহ্যবাহী শহর ভেনিস, যা কোনও সমতল ভূমিতে নয়, বরং সমুদ্রের ১১৮টি ছোট ছোট দ্বীপের ওপর গড়ে উঠেছে।

অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের একটি উপহ্রদের মধ্যে অবস্থিত এই ১১৮টি দ্বীপকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করেছে ৪০০-র বেশি সেতু। আর দ্বীপগুলোর মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা ছোট-বড় খালগুলোই এই শহরের মূল যাতায়াত পথ বা ওয়াটারওয়ে। শত শত বছর আগে মূল ভূখণ্ডে বহিরাগতদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে মানুষ এই লেগুন অঞ্চলে এসে আশ্রয় নিয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দ্বীপগুলোতে বসতি বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে এটি ব্যবসা ও সংস্কৃতির এক প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়। গাড়ি চলাচলের পথ না থাকায় জলপথকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে ভেনিসের অনন্য অবয়ব।

এই শহরের প্রাণ হলো এর বিস্তৃত খাল নেটওয়ার্ক। যার মধ্যে গ্র্যান্ড ক্যানাল ভেনিসের প্রধান জলপথ হিসেবে পরিচিত, যার দুই ধারে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক সব ভবন, গির্জা আর রাজপ্রাসাদ। ভেনিসবাসীর দৈনন্দিন জীবন কাটানো এবং পণ্য আনা নেওয়ার মূল ভরসা হলো নৌকা। সাধারণ মানুষ যাতায়াতের জন্য এখানে ‘ভাপোরেত্তো’ নামের ওয়াটার বাস এবং ওয়াটার ট্যাক্সি ব্যবহার করেন। আর পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো ঐতিহ্যবাহী ‘গন্ডোলা’ নৌকায় চড়ে ছোট ছোট খালগুলো ঘুরে দেখা।

শুধু ভৌগোলিক অবস্থানের জন্যই নয়, ভেনিস তার স্থাপত্য, শিল্পকলা এবং সাংস্কৃতিক ইতিহাসের জন্য ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এখানকার সেন্ট মার্কস ব্যাসিলিকা, রিয়ালতো ব্রিজ এবং ডোগেস প্যালেস দেখতে প্রতিবছর লাখ লাখ দর্শনার্থী ভিড় জমান। ভেনিস ভ্রমণের সবচেয়ে আদর্শ সময় হলো এপ্রিল থেকে জুন এবং সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাস। গ্রীষ্মকালে এখানকার প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলোতে প্রচণ্ড ভিড় থাকে। আন্তর্জাতিক পর্যটকেরা ভেনিস মার্কো পোলো বিমানবন্দর হয়ে কিংবা ইউরোপের অন্য শহর থেকে ট্রেনে চড়ে সরাসরি ভেনিস সান্টা লুচিয়া রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছাতে পারেন। ১১৮টি দ্বীপের ওপর কাঠের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা শতাব্দীর পুরোনো এই শহরের প্রতিটি কোণ প্রচলিত শহরের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা এক ভ্রমণের অনুভূতি দেয়।

সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়