শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৬, ০৫:৪১ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর মতবিরোধ, ফোনালাপ শেষে ‘দিশাহারা’ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ কেমন হবে- তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর মতবিরোধ সামনে এসেছে। দুই নেতা তাদের সবশেষ ফোনালাপেও উত্তেজনাপূর্ণ বাক্য বিনিময় করেছেন।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন ও ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল (টিওআই) পৃথক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়েছে। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে আরেক মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস লিখেছে, ফোনালাপের পর নেতানিয়াহু অনেকটাই দিশাহারা হয়ে পড়েন।

সিএনএন লিখেছে, চলতি সপ্তাহে দুই নেতার প্রথম ফোনালাপটি হয় গত রোববার। যুক্তরাষ্ট্র তখন ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সম্ভাব্য অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’। কিন্তু ওই ফোনালাপের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর ট্রাম্প অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর অনুরোধে তিনি হামলা আপাতত বন্ধ রাখছেন। একই সময় তিনি সম্ভাব্য চুক্তির অগ্রগতির বিষয়েও ইঙ্গিত দেন। 

ট্রাম্পের এই ঘোষণা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষুব্ধ করে। এরপর দুজন গত মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় ফোনালাপ করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইসরায়েলি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন লিখেছে, ট্রাম্প হামলা স্থগিত করলেও নেতানিয়াহুর অবস্থান ছিল বিপরীত। তাঁর যুক্তি হলো- অভিযান চালাতে যত দেরি হবে ইরান তত সুবিধা পাবে। তাই মঙ্গলবারের ফোনালাপে তিনি নিজের অসন্তোষের কথা সরাসরি ট্রাম্পকে জানান।

এক মার্কিন কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বলেন- পরিকল্পিত হামলাগুলো স্থগিত করা একটি ভুল সিদ্ধান্ত। প্রেসিডেন্টের উচিত ছিল পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়া। 

ফোনালাপটি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে বলে জানিয়েছে একটি ইসরায়েলি সূত্র। তাঁর ভাষ্য, নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ শুরুর ব্যাপারে চাপ দেন। কিন্তু ট্রাম্প একটি চুক্তির সম্ভাবনার আশায় ছিলেন। যা থেকে দুই নেতার মতবিরোধ স্পষ্ট হয়। 

ফোনালাপের বিষয়ে মন্তব্য জানতে সিএনএন হোয়াইট হাউসে এবং টাইমস অব ইসরায়েল নেতানিয়াহুর দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে সাড়া পায়নি।

‘আমি যা চাইব, তাই করবেন’
একই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে টাইমস অব ইসরায়েল মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়েছে। তিনটি সূত্রের মধ্যে একজন অ্যাক্সিওসকে বলেছেন, ফোনালাপের পর নেতানিয়াহুর দিশাহারা অবস্থা তৈরি হয়। ইসরায়েলি সূত্রগুলো উল্লেখ করেছে, ইরানের সঙ্গে আলোচনার ভবিষ্যৎ কী হবে- তা নিয়ে নেতানিয়াহুর প্রায় প্রতিটি মুহূর্তই উদ্বেগে কাটছে। 

এদিকে ফোনালাপের কয়েক ঘণ্টা পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিষয়ে আমি যা চাইব, নেতানিয়াহু তাই করবেন।’ 

টাইমস অব ইসরায়েল লিখেছে, নেতানিয়াহু বরাবরই ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা প্রচার করেন। তবে ট্রাম্পের মন্তব্যটি নেতানিয়াহুকে নতুন সমালোচনার মুখে ফেলেছে। সমালোচকদের মতে- ট্রাম্পের প্রতি নেতানিয়াহু এতটাই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন যে, কোনো সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়