শিরোনাম
◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও

প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:২৫ দুপুর
আপডেট : ১৬ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দ্বিগুন আমদানি হওয়া সত্ত্বেও বাজারে নেই মথ ডাল

দেশে গত অর্থবছরে ২১ হাজার ৮৯১ টন মথ ডাল আমদানি হয়েছে। কিন্তু বাজারে এ ডালের কোনো অস্তিত্ব নেই। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, ক্ষতিকর রং মিশিয়ে এই ডাল বিক্রি হচ্ছে মুগ ডাল নামে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এমন পরিস্থিতিতে রং মেশানো মথ ডাল না কেনার পরামর্শ দিয়েছে বিএফএসএ। 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে মুগ ডাল আমাদানি হয়েছে ১০ হাজার ৯৬১ টন। অন্যদিকে মথ ডাল আমদানি হয়েছে ২১ হাজার ৮৯১ টন। মুগ ডালের তুলনায় মথ ডালের আমদানি প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু বাজারে মথ ডাল নামে কোনো ডাল পাওয়া যাচ্ছে না। 

মথ ডালে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে মুগ ডালের নামে বিক্রি করা হচ্ছে– এমন তথ্য পেয়ে অনুসন্ধানে নামেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। তারা বিভিন্ন বাজার থেকে মুগ ডালের ৩৩টি নমুনা সংগ্রহ করেন। প্রাথমিক পরীক্ষায় ১৮টি নমুনার মধ্যে হলুদ রঙের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। রং মিশ্রিত ডালের একটি নমুনা বিএসটিআইর ল্যাবরেটরিতে পাঠালে পরীক্ষা করার পর ওই নমুনায় টারট্রাজিন রং পাওয়া যায়। খাদ্য-সংযোজন দ্রব্য ব্যবহার প্রবিধানমালা, ২০১৭ অনুযায়ী, টারট্রাজিন রংটি সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহারযোগ্য। 

বিএফএসএর চেয়ারম্যান জাকারিয়া সমকালকে বলেন, ডাল বা শস্যে রং ব্যবহারের অনুমোদন নেই। এতে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। আমদানির সময় মুগ ও মথ ডালের রং পরীক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং রং মিশ্রিত ডাল যাতে বাংলাদেশে আমদানি না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। 

বিএফএসএর নির্দেশে মথ ডালের অস্তিত্ব খুঁজতে মাঠে নামে ভোক্তা অধিদপ্তর। গত তিন-চারদিন ঢাকার রহমতগঞ্জ, কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মথ ডালের কোনো অস্তিত্ব পায়নি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। রং মিশিয়ে মুগ ডাল নামে বিক্রি করার অপরাধে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে তারা। 

অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা সমকালকে জানান, ডাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির পর রং মেশানো হয়। ভোক্তারা ডালের রং উজ্জ্বল না হলে কিনতে চান না। সে জন্য এই রং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযানে তথ্য মিলছে। 

সূত্র: সমকাল 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়