শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৩:৫০ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আশরাফুলকে হত্যার পর ২৬ টুকরা, যে কারণে খুন হন

বন্ধুর সঙ্গে তিনদিন আগে ঢাকায় আসেন ব্যবসায়ী আশরাফুল হক। একদিন পরই পরিবারের সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় যোগাযোগ। পরদিন হাইকোর্টের সামনে দুটি ড্রামের ভেতর পাওয়া যায় আশরাফুলের ২৬ টুকরা মরদেহ।

পুলিশ বলছে, টাকা লেনদেন সংক্রান্ত কোনো কারণে এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে। পরিবারের দাবি, আশরাফুলের বন্ধুই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।  

 শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আশরাফুলের বন্ধু জরেজকে আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা করেছে নিহতের পরিবার।
 
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হাইকোর্টের পাশে নীল রঙের দুটি ড্রামের ভেতর থেকে ২৬ টুকরা খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলেও পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশ্লেষণে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হয় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট।
 
নিহত আশরাফুল হক (৪২) রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে মো. আব্দুর রশিদের ছেলে।
 
 এদিকে, নিহত ব্যবসায়ীর মরদেহ নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে এসেছেন তার পরিবাররের সদস্যরা। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাইকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বোন আন্দ্রিতা খাতুন। মর্গে আসা পরিবারের অন্য সদস্যরাও শোকে কাতর।

পরিবার জানায়, আশরাফুল ছিলেন কাঁচামালের ব্যবসায়ী। গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে বন্ধু জরেজের সঙ্গে বাড়ি থেকে ঢাকায় যান আশরাফুল হক। পরদিন বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৯টা পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। এরপর থেকে আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি।
 
পুলিশ বলছে, পাওনা টাকা আদায়ে ঘটতে পারে এ হত্যাকাণ্ড। ঘটনার পর থেকেই আশরাফুলের বন্ধু জরেজ পলাতক রয়েছেন। তাকে ধরতে প্রযুক্তিগত ও ম্যানুয়াল দুইভাবেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
 
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর বলেন, ‘তদন্তের পর আশরাফুল হক হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে। আরেকটু সময় গেলে হয়তো মূল ঘটনা জানতে পরবো।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়