শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০২৬, ১০:১৭ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ক্রেতা না পেয়ে শতাধিক কোরবানির চামড়া নদীতে ফেলে দিলেন দুই ব্যবসায়ী

ফেনীর দাগনভূঞায় ক্রেতা না পেয়ে শতাধিক কুরবানির পশুর চামড়া নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার মমারিজপুর গ্রামের দিদারুল আলম ও খুরশিদ আলম এসব চামড়ার ক্রেতা না পেয়ে নদীতে ফেলে দেন।

শুক্রবার (২৯ মে) বিকালে উপজেলার মমারিজপুর গ্রামের কাটাখালী নদীতে চামড়াগুলো ফেলা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছু বাড়তি আয়ের আশায় মৌসুমি ব্যবসায়ী দিদারুল আলম ও খুরশিদ আলম কুরবানির ঈদের দিন বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক গরু ও খাসির চামড়া সংগ্রহ করেন। পরে সেগুলো বিক্রির জন্য স্থানীয় বাজারে নেওয়া হলেও শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত কোনো চামড়া ব্যবসায়ীর দেখা পাননি।

এদিকে সংরক্ষণের অভাবে চামড়াগুলোতে পচন ধরতে শুরু করে। একপর্যায়ে ক্ষোভ ও হতাশা থেকে ভ্যানগাড়িতে করে চামড়াগুলো কাটাখালী নদীতে ফেলে দেন তারা। পরে সেগুলো নদীর স্রোতে ভেসে যায়।

ঘটনার পর রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শহিদুল ইসলাম তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরবর্তীতে দুই ব্যবসায়ী নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চান।  ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আর করবেন না বলেও জানান তারা।

খুরশিদ আলম বলেন, কিছু লাভের আশায় বাড়ি বাড়ি ঘুরে নগদ অর্থ দিয়ে চামড়াগুলো কিনেছিলাম। বিক্রির আশায় বৃহস্পতিবার রাতভর অপেক্ষা করলেও কোনো ব্যবসায়ী আসেননি।  প্রচণ্ড গরমে চামড়াগুলো পচে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। বিভিন্ন ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া না পেয়ে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে নদীতে ফেলে দিতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এতে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

নদীতে বিপুল পরিমাণ চামড়া ফেলে দেওয়ায় পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিজানুর রহমান বলেন, চামড়াগুলোর পচা দুর্গন্ধে পানি দূষিত হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবেশেরও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ বিষয়ে দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহীদুল ইসলাম বলেন, চামড়া নদীতে ফেলে দেওয়ার ভিডিও প্রশাসনের নজরে এসেছে। বিক্রি না হওয়ার বিষয়টি তারা প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানাতে পারতেন। পরে দুই মৌসুমি ব্যবসায়ী তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়